পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারত।
শুক্রবার (৩ জুলাই) পুলিশ জানায়, গুজরাটের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড তাদের গ্রেপ্তার করে।
গুজরাটের বানাসকান্ঠা, পাটান ও নবসারী এবং মধ্যপ্রদেশের দেওয়াসসহ একাধিক অঞ্চলে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তাররা গুজরাটে ভবিষ্যৎ হামলার উদ্দেশ্যে একটি শক্তিশালী ও কার্যকর সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে অত্যন্ত সক্রিয় ‘স্লিপার মডিউল’ হিসেবে কাজ করছিল। তাদের বয়স মূলত ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে।
আটকদের মধ্যে বেশ কয়েকজন ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আড়ালে তাদের কার্যক্রম চালাচ্ছিল, যার মধ্যে পাটানের ‘জামিয়া আবুল হাসান মাদরাসা’ এবং নবসারীর ‘জামিয়া রহমানিয়া খাম্ভিয়া’ অন্যতম।
নিরাপত্তাসংস্থাগুলোর ধারণা, তরুণদের উগ্রবাদে দীক্ষিত করতে এবং নির্বিঘ্নে লজিস্টিক সহায়তা নিশ্চিত করতে এই স্থানগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল।
গুজরাট এটিএস থানায় আট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। সবাইকে ১৪ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
তাদের বিরুদ্ধে ১৯৬৭ সালের বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের ১৩, ১৭, ১৮, ৩৮ এবং ৩৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে, যা মূলত বেআইনি, সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন, ষড়যন্ত্র এবং নিষিদ্ধ সংগঠনের সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এছাড়া, ২০২৩ সালের ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৪৮ এবং ৬১ ধারার অধীনেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। সূত্র: এনডিটিভি
