রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আজ শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। বেলা ১টা ৫২ থেকে ১টা ৫৪ মিনিটের মধ্যে কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী এই কম্পনে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
মাত্রা নিয়ে ভিন্ন তথ্য
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৪। সংস্থাটির ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) উৎপত্তিস্থলে ভূমিকম্পের মাত্রা ৫ দশমিক ৩ বলে জানিয়েছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী কোথাও কোথাও ৫ দশমিক ৫ মাত্রার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এবারের ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল আশাশুনি, সাতক্ষীরা। স্থানীয়রা শক্ত ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন বলে জানা গেছে। এ সময় মসজিদে নামাজ আদায় করতে যাওয়া অনেক মুসল্লি আতঙ্কিত হয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর ভূতত্ত্ব বিভাগের সাবেক অধ্যাপক হুমায়ূন আখতার জানান, পরপর দুই দফায় ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় এবং উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরাই।
কলকাতাতেও কম্পন
ভারতের কলকাতা শহরেও একই সময়ে কম্পন অনুভূত হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম জি ২৪ ঘণ্টা জানিয়েছে, সেখানে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৯।
পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও কম্পন টের পাওয়া গেছে বলে ভারতের আরেক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইনে জানিয়েছে।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভূকম্পন অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমার।
এ ছাড়া গত ২১ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ২৬ সেকেন্ড স্থায়ী ৫ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। মাধবদী এলাকায় উৎপত্তি হওয়া ওই ভূমিকম্পে সারা দেশে ১০ জন নিহত ও কয়েকশ মানুষ আহত হন।
