নেপোলিটান পিৎজা
ইতালির এই ঐতিহ্যবাহী পিৎজা খুব পাতলা ও নরম ডো দিয়ে তৈরি। ওপরে থাকে টমেটো, মোজারেলা চিজ আর বাগানের টাটকা বাসিল (পুদিনাপাতার মতো একধরনের গুল্ম)। সহজ হলেও এর স্বাদ অসাধারণ। অল্প উপাদানে সহজে বানানো যায় আর খেতে দারুণ বলে এত জনপ্রিয়তা বিশ্বের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগেনি।
জাপানের রামেন এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় খাবার
গরম স্যুপ, নুডলস, মাংস আর ডিম—রামেন হলো একের ভেতর চার। রামেন একটি পূর্ণাঙ্গ, স্বাস্থ্যকর ও আরামদায়ক খাবার, যা সারা বিশ্বে জনপ্রিয়।
টাকো মূলত মেক্সিকান খাবার
টরটিলার (মেক্সিকান রন্ধনশৈলীর একটি পাতলা, গোলাকার, খামিরবিহীন চ্যাপটা রুটি, ঐতিহ্যগতভাবে ভুট্টার আটা বা গম দিয়ে তৈরি) ভেতরে মাংস, সবজি, সস—সব মিশিয়ে তৈরি হয় টাকো। এটি দ্রুত খাওয়ার জন্যও দারুণ। বাংলাদেশে খুব একটা জনপ্রিয়তা না পেলেও বিশ্বের ব্যস্ততম শহরগুলোয় এর জনপ্রিয়তা অনন্য। স্বাদেও বৈচিত্র্যময়।
বাটার চিকেন (ভারত)
মাখন আর টমেটোর গ্রেভিতে রান্না করা চিকেন—নরম, মসলাদার ও ক্রিমি এই খাবার বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়, বিশেষ করে ঘরে শিশু থাকলে তো কথাই নেই।
ডিম সাম (চীন)
ছোট ছোট সেদ্ধ বা ভাজা খাবারের সমাহার—ডাম্পলিং, বান ইত্যাদি। চায়ের সঙ্গে খেতে দারুণ লাগে। বাংলাদেশে ডাম্পলিংয়ের জনপ্রিয়তা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে।
সুশি (জাপান)
ভাত, মাছ ও সামুদ্রিক উপাদানে তৈরি এ খাবার দেখতে যেমন সুন্দর, স্বাদেও তেমন সূক্ষ্ম আর ব্যতিক্রমী।
গুরমে বার্গার (যুক্তরাষ্ট্র)
এটি সাধারণ বার্গারের উন্নত সংস্করণ। উচ্চমানের উপকরণ, নতুন স্বাদ ও অভিনব পরিবেশনায় এটির জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।
ইতালিয়ান খাবার পাস্তা
বিভিন্ন সস ও স্টাইলের পাস্তা—যেমন আলফ্রেডো, কার্বোনারা—সব বয়সের মানুষের প্রিয়। আর সেই কারণেই এটি সেরা ১০ খাবারের মধ্যে উঠে এসেছে।
ভিয়েতনামের খাবার ফো
গরম নুডলস স্যুপ, বিভিন্ন গুল্ম ও মাংসের মিশ্রণে তৈরি ফো—হালকা কিন্তু স্বাদে ভরপুর।
ফ্রায়েড চিকেন (দক্ষিণ কোরিয়া)
ফ্রায়েড চিকেনকে দক্ষিণ কোরিয়ান না বলে আন্তর্জাতিক বলাটাই সমীচীন। মুচমুচে, সসযুক্ত এই ফ্রায়েড চিকেন বছরের পর বছর বিশ্বজুড়ে ট্রেন্ডিংয়ে, বিশেষ করে তরুণদের কাছে খুব জনপ্রিয়। সূত্র: টেস্টি ট্রিপ
