বিডিসিলেট ডটকম : সিলেটে চাঁদাবাজি নিয়ে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিলেট-১ আসনের এমপি ড. এ কে আব্দুল মোমেন জাতীয় সংসদে বক্তব্য রাখার পর বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। নড়ে চড়ে বসেছে সিলেটের প্রশাসন। সিলেটের চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোরভাবে মাঠে নেমেছে পুলিশ ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
মঙ্গলবার (৬ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে ‘জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ’ নোটিশের আলোচনায় এ কে আব্দুল মোমেন সিলেটে চাঁদাবাজি নিয়ে কথা বলেন।
ব্যবসায়ীরা বলছেন- সিলেট মহনগরের কালিঘাটে বেপরোয়া চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে অহরহ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সামনে চাঁদাবাজির ঘটনা নিত্য-নৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। সশস্ত্র চাঁদাবাজদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করারও সাহস পান না। প্রায় প্রতিদিনই কালিঘাটে এমন ঘটনা ঘটছে। কেবল কালিঘাটেই নয় জৈন্তাপুর থেকে সবজি নিয়ে আসার পথে বটেশ্বর পার হওয়ার পরে, এয়ারপোর্ট এলাকা থেকে কিংবা টুকেরবাজার থেকে সবজি নিয়ে আসার পথে গাড়িকে ফলো করা হয়। তাদের সুবিধামতো জায়গায় এসে গাড়ি ছিনতাই করে নিয়ে যায়।
সিলেটের ব্যবসায়ীরা গত ১ ফেব্রুয়ারি সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার, সিলেটের জেলা প্রশাসক ও সিলেটের পুলিশ সুপারের নিকট পৃথক স্মারকলিপি দিয়েছেন। পরে স্বারকলিপি দেওয়া হয় বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে। এতে তারা ৭ দিনের আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, এই সময়ের মধ্যে চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে সিলেটের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামবেন।
এদিকে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কমিশনার মো. জাকির হোসেন খান জানিয়েছেন, চাঁদাবাজ যেই হোক তার ছাড় নেই। চাঁদাবাজদের ব্যাপারে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করা হবে। ইতোমধ্যে এক চাঁদাবাজকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। অন্য চাঁদাবাজদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
