সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার বংশীকুণ্ডা উত্তর ইউনিয়নের কড়ইবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা আতাবুর রহমানকে ঘিরে স্থানীয় এলাকায় নানা আলোচনা ও প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক বছর আগেও তিনি দিনমজুরি, মোটরসাইকেল চালানো এবং সীমান্ত এলাকায় পণ্য পরিবহনের মতো কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। তবে অল্প সময়ের ব্যবধানে তাঁর জীবনযাত্রায় দৃশ্যমান পরিবর্তন এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফজর আলীর ছেলে আতাবুর রহমান বর্তমানে বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। লাখ টাকার দামি আইফোন ব্যবহার, আড়ম্বরপূর্ণ চলাফেরা এবং আর্থিক সক্ষমতার আকস্মিক উত্থান নিয়ে এলাকায় নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনেকের মতে, তাঁর এই অর্থনৈতিক পরিবর্তনের উৎস তদন্তের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। সে টাকা খরচ করে দলবল নিয়ে মহড়া দেয় এলাকায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারতীয় গরু ও সুপারি পাচারসহ বিভিন্ন ধরনের চোরাচালান কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আতাবুর রহমানের সম্পৃক্ততা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা রয়েছে। তাঁদের দাবি, মাদক পরিবহন চক্রের সঙ্গেও তাঁর যোগাযোগ থাকতে পারে।
এ ছাড়া তাঁর বিরুদ্ধে নারী-সংক্রান্ত বিভিন্ন অভিযোগও রয়েছে। যদিও এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ, মামলা বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কারও বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তাঁরা সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান।
অভিযোগের বিষয়ে আতাবুর রহমানের বক্তব্য জানার জন্য ফোন করলে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা সকল অভিযোগ মিথ্যা।
