সিলেটজুড়ে পুলিশের ডেভিল হান্ট-২ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগ এবং ইউপি চেয়ারম্যানসহ ১৪জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতদের বৃহস্পতিবার গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সিলেট মহানগর পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃত আসামীরা জিআর মামলা, বিস্ফোরক উপাদানাবলী আইন, ও পেনাল কোড মামলার সন্দিদ্ধ আসামী। পুলিশের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন, ৭নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তুহিন আহমদ (৪০),যুবলীগ কর্মী আহমেদ হোসেন মুন্না (৩১), ৩নং খাদিমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তারা মিয়া (৬৪), আওয়ামী লীগ কর্মী মোহাম্মদ আলী বলি, কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি কামাল হোসেন (৫৬), মোঃ ইয়াহিয়া (৪২), সদর উপজেলা তাতী লীগের সভাপতি দিলোয়ার হোসেন (৪৫), বিজিতলাল উজ্জল ওরফে নিধিররঞ্জন (৩৫) ও নূরুল ইসলাম (৬০)।
এদিকে বিশ্বনাথ থেকে একজনকে এবং সুনামগঞ্জ দিরাই ও শাল্লা থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বিশ্বনাথে ‘ডেভিল হান্ট ফেইস-২’ অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উপজেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসাইনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার বিকেলে পৌর শহরের মশুল্লা (জানাইয়া) গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় তাকে।
গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী মাহবুবুর রহমান।
অপরদিকে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় পরিচালিত অপারেশন ডেভিল হান্ট-এর অভিযানে রাজানগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা জহিরুল ইসলাম জুয়েলসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে দিরাই থানা পুলিশ।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নিজ এলাকা থেকে জহিরুল ইসলাম জুয়েলকে গ্রেফতার করা হয়।
এর আগে, মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) রাতে একই অভিযানের অংশ হিসেবে দিরাই উপজেলার নতুন বাগবাড়ী গ্রামের ছুরত মিয়ার ছেলে উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা উজ্জ্বল মিয়া ও উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া গ্রামের ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সুকুমারকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
শাল্লায় ডেভিল হান্ট অভিযানে শাল্লা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) বাদল চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৷ তিনি বাহাড়া ইউনিয়নের ডুমরার মৃত মাখন লাল দাসের ছেলে।
গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাল্লা থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নবী হোসেন এবং দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক।
