বিডি সিলেট ডেস্ক:: বিএনপির ব্যবসায়ীরা চক্রান্ত করে পণ্য মজুত করে মূল্য বাড়ানোর চেষ্টা করেন বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ। বুধবার (৯ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বর্ধিত সভা চলাকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, “করোনা ও চলমান রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বে অনেক পণ্যের মূল্য বেড়েছে। বাংলাদেশেও কয়েকটি পণ্যের মূল্য বেড়েছে। তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। একই সঙ্গে কম আয়ের মানুষ যাতে কম মূল্যে পণ্য কিনতে পারে, এ জন্য টিসিবির আওতা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে এক কোটি মানুষকে টিসিবির মাধ্যমে স্বল্প মূল্যে পণ্য দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
মন্ত্রী আরও বলেন, “দেশে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী রয়েছেন, এটা সত্যি। এই অসাধু ব্যবসায়ীরা অনেক সময় পরিস্থিতির সুযোগ নেন। তাদের বিরুদ্ধেও সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।”
এছাড়া দেশের বড় বড় ব্যবসায়ীদের বেশির ভাগ বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তারা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবদের চক্রান্তের সঙ্গে তাল মিলিয়ে অনেক সময় পণ্য মজুত করে মূল্য বাড়ানোর অপচেষ্টা চালান বলে মন্তব্য করেন হাছান মাহমুদ।
হাছান মাহমুদ বলেন, “আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে এসেছে বাঙালির সব অর্জন। যে বাংলাদেশ ছিল খাদ্য ঘাটতির দেশ, সেই বাংলাদেশ খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। এছাড়া আয়তনের দিক দিয়ে বাংলাদেশ পৃথিবীর ৯২তম দেশ। কিন্তু এই দেশ সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, ধান উৎপাদনে পৃথিবীর তৃতীয়, মিঠাপানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, আলু উৎপাদনে সপ্তম। এটা সম্ভব হয়েছে কোনো জাদুর কারণে নয়, জননেত্রী শেখ হাসিনার জাদুকরি নেতৃত্বে।”
এ সময় গত ১৩ বছরে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “এই উন্নয়নে মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন হয়েছে। সেই কারণেই দেশের মানুষ আওয়ামী লীগের সঙ্গে আছে। আর এই কারণে বিএনপিসহ তাদের দোসররা শঙ্কিত তাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে। আগামী নির্বাচনে পরাজয়ের শঙ্কায় তারা এখন নানা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছে।”
এদিকে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এই বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহা. সাদেক কুরাইশী।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন, সদস্য হোসনে আরা লুৎফা, সফুরা বেগম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অরুণাংশু দত্ত।
