টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে সুনামগঞ্জের সুরমাসহ সবকয়টি নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ি ঢলে রক্তি নদীর পানি উপচে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের আনোয়ারপুর এলাকার পাকা সড়ক তলিয়ে গেছে। এতে জেলা সদরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। দুপুর পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি নতুন করে ৭৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, দুপুরে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে ৭ দশমিক ৩৫ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ৩৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। চেরাপুঞ্জির এই রেকর্ড বৃষ্টির কারণেই সুনামগঞ্জের সুরমা ও অন্যান্য নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তাহিরপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘জরুরি কাজে সুনামগঞ্জে যাওয়ার জন্য রওনা হয়ে খবর পাই ঢলের পানিতে আনোয়ারপুর এলাকার পাকা সড়ক তলিয়ে গেছে।’ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ এলাকার বাসিন্দা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘তাহিরপুরে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে আনোয়ারপুর বাজারের দিকে যাচ্ছিলাম। কিন্তু যাওয়ার আগেই দেখি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে ফিরে এসেছি।’
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক জানান, পাহাড়ি ঢলের পানিতে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের আনোয়ারপুর এলাকায় কিছু জায়গা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাময়িক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের এই অংশটুকু নিচু হওয়ায় প্রতিবছরই বর্ষায় তলিয়ে যায়। তবে ঢলের পানি হ্রাস পেলে সড়কটি পুনরায় ভেসে উঠবে এবং চলাচল স্বাভাবিক হবে।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ বলেন, সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের আনোয়ারপুর বাজারের পূর্ব পাশে কিছু জায়গা নিচু। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢল নামলে সড়কের এই অংশটুকু প্লাবিত হয়ে যায়। তবে এই সড়কের পানি বেশি সময় স্থায়ী থাকে না। ঢলের পানি কমলে দ্রুত সড়ক যোগাযোগ চালু হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে জেলার সবকয়টি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী ভারতের মেঘালয় এলাকায় আরও তিন দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
টানা বৃষ্টিপাত ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানিতে সুনামগঞ্জের সুরমাসহ সবকয়টি নদ-নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে। পাহাড়ি ঢলে রক্তি নদীর পানি উপচে সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের আনোয়ারপুর এলাকার পাকা সড়ক তলিয়ে গেছে। এতে জেলা সদরের সঙ্গে তাহিরপুর উপজেলার সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
রোববার (২১ জুন) দুপুরে নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। দুপুর পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি নতুন করে ৭৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, দুপুরে সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে ৭ দশমিক ৩৫ মিটারে প্রবাহিত হচ্ছিল। সকাল ৯টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় সুনামগঞ্জে ২০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। একই সময়ে ভারতের চেরাপুঞ্জিতে ৩৩২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। চেরাপুঞ্জির এই রেকর্ড বৃষ্টির কারণেই সুনামগঞ্জের সুরমা ও অন্যান্য নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তাহিরপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘জরুরি কাজে সুনামগঞ্জে যাওয়ার জন্য রওনা হয়ে খবর পাই ঢলের পানিতে আনোয়ারপুর এলাকার পাকা সড়ক তলিয়ে গেছে।’ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ এলাকার বাসিন্দা মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘তাহিরপুরে যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেল নিয়ে আনোয়ারপুর বাজারের দিকে যাচ্ছিলাম। কিন্তু যাওয়ার আগেই দেখি সড়ক পানিতে তলিয়ে গেছে। তাই বাধ্য হয়ে ফিরে এসেছি।’
তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক জানান, পাহাড়ি ঢলের পানিতে তাহিরপুর-সুনামগঞ্জ সড়কের আনোয়ারপুর এলাকায় কিছু জায়গা পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় সাময়িক ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সড়কের এই অংশটুকু নিচু হওয়ায় প্রতিবছরই বর্ষায় তলিয়ে যায়। তবে ঢলের পানি হ্রাস পেলে সড়কটি পুনরায় ভেসে উঠবে এবং চলাচল স্বাভাবিক হবে।
সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী ড. মোহাম্মদ আহাদ উল্লাহ বলেন, সুনামগঞ্জ-তাহিরপুর সড়কের আনোয়ারপুর বাজারের পূর্ব পাশে কিছু জায়গা নিচু। বর্ষাকালে পাহাড়ি ঢল নামলে সড়কের এই অংশটুকু প্লাবিত হয়ে যায়। তবে এই সড়কের পানি বেশি সময় স্থায়ী থাকে না। ঢলের পানি কমলে দ্রুত সড়ক যোগাযোগ চালু হয়ে যাবে।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে জেলার সবকয়টি নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, সুনামগঞ্জ ও পার্শ্ববর্তী ভারতের মেঘালয় এলাকায় আরও তিন দিন মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
