সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে যাচ্ছেন এনসিপির এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মনিরা শারমিন। জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী হবে তাঁরা। মনোনয়নপত্র বৈধ হলে তাঁদের এমপি হওয়া নিশ্চিত।
৩০০ আসনের সংসদে সংরক্ষিত নারী এমপির সংখ্যা ৫০। আইনানুযায়ী, প্রতি ছয়টি সাধারণ আসনের বিপরীতে রাজনৈতিক দল বা জোট সংসদে একটি নারী আসন পায়। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে সংসদে ছয় আসন পাওয়া এনসিপির একটি নারী আসন পাওয়ার কথা ছিল। তবে জামায়াত বাড়তি একটি আসন এনসিপিতে ছেড়ে দিয়েছে।
জামায়াত এককভাবে ৬৮ আসন পেয়েছে। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের দুই এমপি এবং খেলাফত মজলিসের এক এমপি জামায়াতের সঙ্গে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এ হিসেবে জামায়াত এ হিসেবে জামায়াত জোট ১১ দশমিক ৯৫টি নারী আসন পাবে। ভগ্নাংশ দশমিকের ৫ এর চেয়ে বড় হওয়ায় জামায়াত ১২টি আসন পাবে। এনসিপিসহ জামায়াত জোট পাবে ১৩ আসন। তবে দলটি এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত এবং সংসদে প্রতিনিধিত্ব না থাকা জাগপাকে একটি করে আসন ছেড়ে দিচ্ছে। এনসিপি নিজের ভাগ থেকে মনোনয়ন দিচ্ছে মনিরা শারমিনকে। জামায়াতের ভাগ থেকে এমপি হচ্ছেন মাহমুদা মিতু।
মঙ্গলবার নারী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন। সোমবার সন্ধ্যায় জামায়াত কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে জোটের ১৩ নারী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠী-১ আসনে প্রার্থী ছিলেন মাহমুদা মিতু। পরে তিনি জামায়াতের সমর্থনে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। তখনই সমঝোতা হয়েছিল, জোট থেকে তিনি নারী আসনে পরবর্তীতে মনোনয়ন পাবেন।
