মাহমুদ হোসেন খান::- বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত নানা কৌশলে পশু-প্রাণীকে নির্যাতন করা হচ্ছে। মানুষ সব সময় বিনা কারণে তাদের লাথি মারে, ইট মারে, গরম তেল ও পানি মারে, চোখ উঠিয়ে ফেলে, এছাড়া ধারালো অস্ত্র দিয়েও আঘাত করে। এমনকি কিছু অসুস্থ মানুষের দ্বারা ধর্ষণেরও শিকার হয় পশু-প্রাণী। এখনো অনেকেই এটাকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করতে নারাজ। আবার এসব অপরাধীকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না। কারণ প্রাণীর প্রতি সহিংসতা রোধে বাংলাদেশে প্রচলিত আইন যথেষ্ট নয়।
আর যারা পশু-প্রাণীদের সহায়তা করতে যাচ্ছে তাদেরও নানা ধরনের বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। প্রকাশ্যে অথবা আননোন নাম্বার থেকে তাদেরকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সমাজে বা শহরের আশপাশে বিভিন্ন জায়গায় কেউ ক্ষুধার্ত প্রাণীকে খাওয়াতে গেলে সে ক্ষেত্রে তাদের ওপর বাধা সৃষ্টি করে লোকজন। আবার কেউ যদি ঘরের ভেতরে প্রাণী পোষতে চায় এবং সেটা যদি কারো ক্ষতি না করে তবুও তাকে বিভিন্ন লোকজন চাপ সৃষ্টি করে।
এদিকে, সমাজের কিছু ব্যক্তি প্রকাশ্য ষাঁড়ের লড়াইয়ের নামে বড় ধরনের জুয়া খেলার আয়োজন করে। এতে কেবল সামাজিক অবক্ষয়ই নয়, জড়িয়ে পড়ছে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে প্রভাবশালী কিছু মহলও। আর বাংলাদেশে এ ধরনের প্রাণীর প্রতি ঘাতক আচরণ ও নির্যাতন করা হচ্ছে।এসব অপরাধ রোধে দেশের প্রচলিত ‘প্রাণী কল্যাণ আইন’ যথার্থ নয়। এ আইনে প্রাণীদের ওপর অনেক ধরনের নির্যাতন অপরাধ হিসেবে ধরা হয়নি।
