BD SYLHET NEWS
সিলেটশুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ৮:৫৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আমাদের একজন সৈয়দ আশরাফ ছিলেন


জানুয়ারি ৩, ২০২২ ১২:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আহমদ এইচ খান:: বঙ্গবন্ধু এবং মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনার পরে যে ব্যক্তি ছিলেন আমার আইডল, নিরহঙ্কারী, নির্লোভ, সৎ এবং সজ্জন কিংবা সৃজনশীল অনেক গুণের অধিকারী ছিলেন।

উনাকে আমি তিনটি কারণে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করি…

ওয়ান- ইলেভেনের সেই দুঃসময়ে মাননীয় নেত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছিলেন,  সেসময় অনেক নেতা যখন নিজেদের কে নিয়ে ব্যস্ত,  সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাহেব নিজের কথা বিবেচনা না করে নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।

২০১৪ সালের ৫ই মে ঢাকা সহ সারা দেশে একাত্তরের পরাজিত শত্রু জামায়াতের ইন্ধনে হেফাজতের তান্ডবে জনজীবন আতঙ্কিত, আওয়ামী লীগ সহ প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের অফিসে হামলা করল হেফাজত।

সেইদিন বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে জোর গলায় বলেছিলেন  ”  সন্ধ্যার আগে ঢাকা ত্যাগ করুন, না হয় এবার তো ঘর থেকে বের হয়েছেন, আগামীতে আর ঘর থেকে বের হতে দেওয়া হবে না। তোমাদের শক্তি আমরা একাত্তরে দেখেছি। আওয়ামী লীগ কে দূর্বল ভাববেন না। পেশীশক্তি নয়, আত্মশক্তি আমাদের বড় শক্তি।”

এসব সাহসী এবং জ্ঞানগর্ভ কথা একমাত্র আপনিই বলতে পারতেন।

২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন, কে হবেন দলের সাধারণ সম্পাদক তা নিয়ে তুমুল মতান্তর। সৈয়দ আশরাফ সাহেব বক্তৃতায় দাঁড়ালেন, আমিও সেইদিন ঢাকার সোরওয়ার্দী উদ্যানে সেই ভাষণ শুনেছিলাম।

উনার কিছু কথার গভীরতা বুঝতে আমার অনেক দিন সময় গিয়েছিল..

“আওয়ামীলীগ কখনো মরবে না, স্তব্ধ হবে না। আওয়ামীলীগ একটি অজেয় রাজনৈতিক দল।আওয়ামীলীগ তো আওয়ামীলীগই। আমি আওয়ামীলীগকে কোনোদিনই রাজনৈতিক দল মনে করি না,বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি অনুভূতির নাম।

অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে এখনকার আওয়ামী লীগ অনেক শক্তিশালী , আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, দলের মধ্যে কোন বিভাজন তৈরি করি নাই……।”

শেষ কথা হচ্ছে আশরাফ সাহেবের একটি দূরদর্শী কথার প্রতিফলন আজ দেখতে পাচ্ছি ” একসময় এই ধর্মীয় উগ্রবাদীরাই হবে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ।”

ভাল থাকবেন ওপারে…

লেখক :: রাজনৈতিক কর্মী।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।