BD SYLHET NEWS
সিলেটবুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ৪:২১
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বিশ্বের যে ১৯ দেশের নাগরিক আর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পাবে না


ডিসেম্বর ৩, ২০২৫ ১:২৩ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :  যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রিসভার বৈঠকে গৃহীত সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশ্বের ১৯টি দেশের নাগরিকদের অভিবাসন সংক্রান্ত সব কার্যক্রম স্থগিত করেছে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (U.S. Department of Homeland Security)। নতুন নিয়ম অনুযায়ী এসব দেশের নাগরিকরা আর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড বা নাগরিকত্ব পাবেন না।

মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিষিদ্ধ দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে- আফগানিস্তান, মিয়ানমার, চাদ, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান, ইয়েমেন, বুরুন্ডি, কিউবা, লাওস, সিয়েরা লিওন, টোগো, তুর্কমেনিস্তান এবং ভেনেজুয়েলা।

ট্রাম্প জানান, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইতিপূর্বে জুন মাসে এই ১৯ দেশের ওপর আংশিক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছিল, যা এখন পূর্ণ নিষেধাজ্ঞায় রূপান্তরিত হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তের পেছনে মূল কারণ হিসেবে ওয়াশিংটন ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের দুই সদস্যকে লক্ষ্য করে এক আফগান শরণার্থীর গুলি হামলার ঘটনা তুলে ধরা হয়েছে। ওই ঘটনায় একজন সেনা নিহত, আরেকজনের অবস্থা গুরুতর। ঘটনার পর থেকেই তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলো থেকে শরণার্থী গ্রহণ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের মন্ত্রিসভার বৈঠকে ট্রাম্প সোমালিয়ার শরণার্থীদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে তীব্র মন্তব্য করেন। তিনি তাদের ‘আবর্জনা’ হিসেবে অভিহিত করেন। এছাড়া ডেমোক্র্যাটিক পার্টির নেত্রী ও কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরকেও তিনি সমালোচনা করেন, যদিও ইলহান মার্কিন নাগরিক। তার পূর্বপুরুষরা সোমালিয়ার বাসিন্দা।

সরকারের অফিসিয়াল বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, এই নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো দেশীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদক ও সন্ত্রাস সংক্রান্ত সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধ করা। পেন্টাগন ও ন্যাশনাল গার্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।

এদিকে, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী অভিবাসন নীতির ক্ষেত্রে এক বড় পরিবর্তন এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক ও মানবাধিকার সংক্রান্ত সমালোচনার কারণ হতে পারে। সাধারণ নাগরিক এবং অভিবাসীদের জন্য এই সিদ্ধান্ত প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে যারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রার প্রস্তুতি নিয়েছিলেন।

এছাড়া, বিদেশি শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও পরিবারগুলো এই পরিবর্তন থেকে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত হবে।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।