BD SYLHET NEWS
সিলেটশনিবার, ৯ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১০:৩৭
আজকের সর্বশেষ সবখবর

যুক্তরাজ্যে অভিবাসনবিরোধী দলের উত্থান, পদত্যাগে নারাজ স্টারমার


মে ৮, ২০২৬ ৫:০৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অভিবাসনবিরোধী দলের উত্থান ও ডানপন্থীদের বড় জয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক ফলাফলে ইংল্যান্ডে কয়েক’শ আসন হারিয়েছে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি। স্কটল্যান্ড এবং ওয়েলসের প্রাদেশিক পার্লামেন্ট নির্বাচনেও দলটির বড় বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার ভোটগ্রহণের পর শুক্রবার বিভিন্ন কাউন্সিলের ফলাফল প্রকাশ করা হচ্ছে। এদিন বাজে ফলাফলের দায় স্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমার। তবে তিনি দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। দল কয়েক’শ কাউন্সিলর পদ হারানোর পরও স্টারমার বলেছেন, ‘আমি পদত্যাগ করে দেশকে বিশৃঙ্খলার দিকে ঠেলে দেব না।’

যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণত ক্ষমতাসীনদের জনপ্রিয়তার একটি পরীক্ষা হয়। খারাপ ফলাফলকে জনপ্রিয়তা হ্রাসের কারণ হিসেবে দেখিয়ে বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি তোলেন। অনেক সময় নিজ দলের ভেতর থেকেও পদত্যাগের চাপ তৈরি হয়।

শুক্রবার স্টারমার বলেন, ফলাফল খুবই বাজে হয়েছে। এটিকে ভালো দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। সারা দেশে অনেক প্রতিনিধি হেরে গেছেন। তিনি এই পরাজয়ের দায় নিচ্ছেন।

বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টা পর্যন্ত ঘোষিত ১৩৬টি ইংলিশ কাউন্সিলের (সিটি, বরো বা ডিস্ট্রিক্ট) মধ্যে ৪০টির ফলে দেখা যায়, নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে ৩৫০টির বেশি আসন পেয়েছে। অন্যদিকে লেবার পার্টি হারিয়েছে ২৪০টির বেশি। অন্যান্য কাউন্সিলের ফলাফল দিনের বাকি সময়ে জানা যাবে।

২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর স্টারমার সরকারের অধীনে এটিই প্রথম স্থানীয় নির্বাচন। এতে লেবার পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবি হলে ৬৩ বছর বয়সী স্টারমারের পদত্যাগের দাবি আরো জোরালো হতে পারে। পাশাপাশি দলের অভ্যন্তরে নেতৃত্ব বদল নিয়ে চলা গুঞ্জনও তীব্র হবে।

প্রাথমিক ফলাফল নিয়ে রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ বলেছেন, ‘এই নির্বাচনের ফলাফল ব্রিটিশ রাজনীতিতে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তন। আমরা টিকে থাকার জন্যই এসেছি।’

লেবার পার্টির আগে যুক্তরাজ্যে প্রায় ১৪ বছর ক্ষমতায় ছিল কনজারভেটিভ পার্টি। তাদের আমলে কৃচ্ছ্রসাধন, ব্রেক্সিট ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাসের ভঙ্গুর অর্থনীতি ব্রিটিশ জনজীবনকে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। এরপর ২০২৪ সালে ক্ষমতায় আসেন স্টারমার।

সমালোচকদের মতে, স্টারমার নিজেও একের পর এক ভুল নীতি গ্রহণ করেছেন। যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সাবেক লেবার নেতা পিটার ম্যান্ডেলসনের একটি কেলেঙ্কারির সঙ্গে স্টারমার যুক্ত বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব এখন স্টারমারের রাজনৈতিক ভাবমূর্তিকে সংকটে ফেলেছে।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।