BD SYLHET NEWS
সিলেটবুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১০:১২
আজকের সর্বশেষ সবখবর

চীনের বৃদ্ধাশ্রমে ৩১ জনের মৃ ত্যু


আগস্ট ২, ২০২৫ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : চীনের বেইজিংয়ের উপকণ্ঠে ভয়াবহ বন্যায় এক বৃদ্ধাশ্রমেই ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের বেশিরভাগই চলাফেরায় অক্ষম ছিলেন। এর আগে জরুরি সেবা কর্মীরা পানিতে হেঁটে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। বন্যার সময় নার্সিংহোমটিতে প্রায় ৭৭ জন বাসিন্দা ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মিয়ুন জেলায় অবস্থিত ওই বৃদ্ধাশ্রম বা নার্সিংহোমে পানির উচ্চতা বুকসমান হয়ে যাওয়ার পর উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছায়। জরুরি সেবা কর্মীরা পানিতে হেঁটে আটকে পড়াদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন। নিহতদের বেশিরভাগই চলাফেরায় অক্ষম ছিলেন বলে জানিয়েছে চীনা গণমাধ্যম।

স্থানীয় প্রশাসন স্বীকার করেছে, জরুরি পরিকল্পনায় ঘাটতি ছিল এবং এই ঘটনা তাদের জন্য একটি ‘বেদনাদায়ক শিক্ষা’ ও ‘সতর্কবার্তা’ হিসেবে কাজ করেছে।

বিবিসি বলছে, বন্যার সময় নার্সিংহোমটিতে প্রায় ৭৭ জন বাসিন্দা ছিলেন। পানির উচ্চতা প্রায় ২ মিটার বা ৬ ফুট হয়ে যাওয়ায় এদের মধ্যে প্রায় ৪০ জন সেখানে আটকে পড়েন বলে জানিয়েছে চীনা সংবাদমাধ্যম।

তাইশিটুন শহরে অবস্থিত এই নার্সিংহোমে মূলত শারীরিকভাবে গুরুতর অক্ষম, নিম্নআয়ের এবং সামাজিক সহায়তা পাওয়া প্রবীণদের দেখাশোনা করা হয়।

সেখানকার এক কর্মকর্তা বলেন, ‘বহুদিন ধরেই শহরের এই অংশটি নিরাপদ বলে ধরে নেওয়া হয়েছিল, তাই এটি সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আমাদের কোনো পরিকল্পনা ছিল না। এই ঘটনা প্রমাণ করে, আমাদের জরুরি পরিকল্পনায় ফাঁকফোকর ছিল। আমরা চরম আবহাওয়ার ঝুঁকি সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন ছিলাম না। এই বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য সতর্কবার্তা হয়ে এসেছে।’

উল্লেখ্য, বেইজিংয়ে বর্ষাকালে বন্যা নতুন কিছু নয়। ২০১২ সালের জুলাইয়ে মাত্র একদিনে ১৯০ মিমি বৃষ্টিতে শহরটিতে ৭৯ জন নিহত হয়েছিলেন।

চলতি গ্রীষ্মে চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাত, ভূমিধস ও টাইফুনের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শানদং প্রদেশে টাইফুন উইফার আঘাতে ২ জন নিহত ও ১০ জন নিখোঁজ হন। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইয়ান শহরে ভূমিধসে মারা যান আরও ৩ জন।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।