বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর শাখার বর্ধিত শূরা বৈঠক বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) বাদ মাগরিব লালদিঘীরপারস্থ কার্যালয়ে শাখা সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব মাওলানা এমরান আলমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল গাফফারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ও ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ, বিশেষ অতিথি যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আব্দুল আজিজ, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক মাওলানা মুহসিনুল হাসান, কেন্দ্রীয় সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা সামিউর রহমান মুসা, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ও বক্তব্য রাখেন মহানগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা পীর আব্দুল জব্বার, মাওলানা মুহিবুর রহমান, মাওলানা সানা উল্লাহ, হাফিজ মাওলানা হারুনুর রশিদ, মাওলানা কমর উদ্দিন, মাওলানা মোস্তাফা আহমদ আজাদ, মাওলানা জিলাল আহমদ, সহ-সাধারণ সম্পাদক হাফিজ কয়েছ আহমদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সৈয়দ শুয়াইব আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা আব্দুস সালাম, সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানান ফয়জুন নূর, সহ-বায়তুল মাল সম্পাদক ক্বারী মাওলানা আব্দুল মালিক, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা মনিরুল ইসলাম চৌধুরী ফুহাদ, সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা শামসুল ইসলাম, অফিস সম্পাদক হাফিজ মাওলানা সাইফুল ইসলাম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাজী আব্বাস জালালী। আরো উপস্থিত ছিলেন, সদস্য মুহাম্মদ সিকন্দর আলী, মাওলানা আইয়ুব আলী কামালী, মুহাম্মদ শাব্বির আহমদ, মাওলানা জহুরুল হক, ডাঃ নবী হোসেন, হাফিজ মাওলানা তফজ্জুল হক, মাওলানা আবুল কালাম, মাওলানা আব্দুল মুহাইমিন, মাওলানা বুকাইর আহমদ, হাফিজ তারেক হাসান সাহেদ, মুহাম্মদ সাজ্জাদ খান, মুফতি মোস্তাফা আহমদ, মুহাম্মদ ইউসুফ, মাওলানা ফিরুজ আলী, ক্বারী তাজুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুস শহীদ, কে এম ইসমাঈল চৌধুরী, ইমরান আহমদ, মুহাম্মদ সুলতান মিয়া, মাওলানা হুসাইন আহমদ, বাংলাদেশ খেলাফত ছাত্র মজলিস নেতা রেদওয়ানুল হক ফাহিম, আবু তাহের মিসবাহ, শাহ ফাহিম কামালী, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমুখ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠতার দোহাই দিয়ে সরকার জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটছে। তিনি বলেন, এখনো সরকারের দুই মাস পার হয়নি। জাতির মুখোমুখি হবেন না। জনআকাঙ্ক্ষার বিপরীতে চলে যাবেন না। তাহলে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তিনি বলেন, গণভোটে প্রায় ৭০% সংখ্যক মানুষ জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু ক্ষমতাসীন দল সেই রায় বাস্তবায়ন না করে রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি করেছে। এই সংকটের দায় সরকারেরই এবং তাদেরই তা সমাধান করতে হবে। গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার পর এখন সেই রায় অস্বীকার করার সুযোগ নেই। জনগণের রায়কে সম্মান জানিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদে আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি আগামী ২৪ এপ্রিল রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যোনে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করার দাবীতে জাতীয় মহাসমাবেশ সফল করে তুলার জন্য দলীয় নেতাকর্মীদের আহবান জানান।
