BD SYLHET NEWS
সিলেটবৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১০:৪৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

স্বাধীন দেশে সাংবাদিকদের নিরাপত্তা কোথায়?


আগস্ট ৮, ২০২৫ ৮:৪৯ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

টিটু সরকার( অতিথি প্রতিবেদক):: ১৯৭১ সালে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে একটি স্বাধীন দেশ জন্ম নেয় যার নাম বাংলাদেশ। সুবিধাবাদী গুটিকয়েক মানুষের কাছে স্বাধীনতা নামের সোনার হরিণ ধরা দিলেও বাকি সবাই শুধু শুনেই এসেছে। স্বাধীনতা সাধারণ মানুষ কখনো ভোগ করতে পারেনি। এক সময় বাংলাদেশ শাসন করতো, ব্রিটিশ, ভারত, পাকিস্তান ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা সংগ্রামের মাধ্যমে দেশ শাসন করে বাংলাদেশের সোনার মানুষ যারা মুখে বলবে এক আর কাজে করবে আরেক।

স্বাধীন দেশে বিভিন্ন সময় দফায় দফায় সাংবাদিকেরা মামলা, হামলার শিকার হয়েছেন। অনেক সাংবাদিকদের খুন করা হয়েছে। বাংলাদেশের আলোচিত সাংবাদিক সাগর- রুনি হত্যার বিচার বার বার পিছিয়ে যায়। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলাদেশ কথিত আরেকটি স্বাধীনতা লাভ করে। তথাকথিত স্বাধীনতার পর কিছু কিছু রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে যায়। তারা প্রকাশ্যে মানুষ হত্যা করতেও দ্বিধাবোধ করেনা।

গাজীপুরে বাংলাদেশের আলো পত্রিকার গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেনকে গাজীপুর সদর মেট্রো থানা ভবনের পূর্ব পাশে পুলিশের সামনে প্রকাশ্যে তাকে ইট দিয়ে থেতলে দেয়। গাজীপুর চৌরাস্তায় প্রকাশ্যে দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের স্টাফ রিপোর্টার আসাদুজ্জামান তুহিনকে কুপিয়ে হত্যা করে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আনোয়ার হোসেনকে নির্যাতন করার সময় পুলিশ সদস্য উপস্থিত থাকলেও তারা নির্বিকার। তাহলে এই পুলিশ বাহিনী কি কাজে লাগবে।

অপর একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় ৫/৬ জনের সশস্ত্র বাহিনী জনগণের সামনেই এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। এ দেশে সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা কোথায়? ২বার স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশের সংবাদকর্মীসহ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? পুলিশের সামনে যদি সংবাদকর্মীদের নির্যাতন করে ইট দিয়ে থেতলে দিতে পারে তাহলে পুলিশ জনগণের নিরাপত্তা কিভাবে দিবে? এই পুলিশ বাহিনীর কি প্রয়োজন? এই পুলিশ বাহিনী কি শুধু রাজনৈতিক নেতাদের ভিআইপি প্রটোকল দেয়ার জন্য? সংবাদকর্মী যদি নিরপেক্ষভাবে সংবাদ প্রকাশ করতে না পারে তাহলে সংবাদপত্র বন্ধ করে দেয়াই উত্তম। সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সংবাদকর্মীরা লাঞ্ছিত হয়।

পুলিশ প্রশাসনকে  সংবাদকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সংবাদকর্মীদের সুরক্ষায় প্রয়োজনে লাইসেন্স করা অস্ত্রের অনুমোদন দেয়া জরুরি। সংবাদকর্মী আসাদুজ্জামান তুহিনের হত্যাকারীদের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি কার্যকর করতে হবে। সংবাদকর্মীদের সুরক্ষায় সরকারকে ভূমিকা রাখতে হবে। নিরাপত্তাহীনতায় থেকে সাংবাদিকতা সম্ভব হয়, সম্ভব অপ-সাংবাদিকতা।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।