আন্তর্জাতিক ডেস্ক: হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ২৮ বছর বয়সি ক্যারোলিন লেভিটের আকস্মিক পদত্যাগের ঘোষণায় স্তম্ভিত ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক মহল।
বুধবার (১২ আগস্ট) আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব ছাড়ার কথা জানানোর পর থেকেই ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী শীর্ষ মুখপাত্র কে হতে যাচ্ছেন, তা নিয়ে জোর গুঞ্জন ও জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।
দুই সন্তান, দুই বছর বয়সি নিকো এবং তিন মাস বয়সি ভিভিকে বেশি সময় দিতেই লেভিট পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানানো হয়েছে। আগস্টের শেষে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে লেকচার স্ট্যান্ড থেকে সরে দাঁড়াবেন, তবে প্রেসিডেন্টের উপদেষ্টা হিসেবে তার ভূমিকা বজায় থাকবে।
ট্রাম্প এক বিবৃতিতে লেভিটকে তার অন্যতম ‘সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহযোগী’ এবং ইতিহাসের অন্যতম সেরা প্রেস সচিব হিসেবে বর্ণনা করেছেন। লেভিটের এ শূন্যস্থান পূরণে বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী নাম আলোচনায় রয়েছে:
আলিনা হাব্বা: নিউ জার্সির সাবেক ভারপ্রাপ্ত মার্কিন অ্যাটর্নি ও ট্রাম্পের আইনি দলের এই পরিচিত মুখকে অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার মনে করা হচ্ছে।
ম্যাথিউ বয়েল: ব্রাইটবার্ট ওয়াশিংটন ব্যুরো চিফ বয়েল ট্রাম্পের রক্ষণশীল অনুসারীদের অত্যন্ত পছন্দের পাত্র এবং তার মিডিয়া কৌশল ব্যবহারে দক্ষতা রয়েছে।
টেলর বুডোউইচ ও স্টিভেন চেউং: যোগাযোগ বিভাগের অভিজ্ঞ হস্ত বুডোউইচ এবং বর্তমান হোয়াইট হাউস যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউংও দৌড়ে রয়েছেন।
অন্যান্য সম্ভাব্য নাম: জল্পনায় আরও রয়েছেন কেটি মিলার, প্রিন্সিপাল ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আনা কেলি, সাবেক সাংবাদিক মনিকা ক্রাউলি, ট্রাম্পপন্থি ভাষ্যকার স্কট জেনিংস এবং সাবেক অ্যারিজোনা প্রার্থী কারি লেক।
এমনকি বেটিং মার্কেটগুলোতে ফক্স নিউজের ব্যক্তিত্ব র্যাচেল ক্যাম্পোস-ডাফি ও স্পেন্সার প্র্যাটের মতো অপ্রত্যাশিত নামগুলোর ওপরও বাজি ধরা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউস সূত্র জানায়, ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেননি। কোনো একক প্রার্থীকে নিয়োগ না দিয়ে সাময়িকভাবে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও কিংবা অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের মতো জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের দিয়েও ব্রিফিং পরিচালনার বিকল্প পথ খোলা রাখা হতে পারে। সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট
