দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে শীঘ্রই ঘোষণা হতে যাচ্ছে সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের নতুন কমিটি। আর এই কমিটিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সর্বত্রই বইছে আলোচনার ঝড়। পদপ্রত্যাশী নেতাদের অনুসারীরা ফেসবুক ও অন্যান্য মাধ্যমে নিজ নিজ নেতার যোগ্যতা ও ত্যাগের কথা তুলে ধরে চালাচ্ছেন জোর প্রচারণা। সিলেটের রাজপথ কাঁপানো বেশ কয়েকজন ছাত্রনেতার নাম এখন মানুষের মুখে মুখে। জেলা ও মহানগর উভয় ইউনিটের গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য একাধিক যোগ্য প্রার্থী দৌড়ঝাঁপে রয়েছেন।
সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য আলোচনায় রয়েছেন আব্দুস সামাদ লষ্কর মুনিম, রুবেল ইসলাম, আজহার আলী অনিক, আবুল হোসেন, শহীদুল ইসলাম অপু, জহিরুল ইসলাম আলাল, খালেদুর রহমান সানি, আফজাল হোসেন, মো: মোস্তাফিজুর রহমান, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মুর্শেদ, মো: আক্তার উদ্দিন মিজান, জয়নাল আবেদীন রাহেল, তানবীর আহমদ খান, শিহাব উদ্দিন, আকিরুল ইসলাম জিসান, মাহমুদুল হাসান সাগর, আবু সাঈদ মো: সাকিব, আল আমিন সহ একঝাঁক তরুণ ছাত্রনেতা।
নতুন কমিটিতে নিজেদের পছন্দের নেতাদের দেখতে মুখিয়ে আছেন তৃণমূলের কর্মীরা। ফেসবুকের নিউজফিড দখল করে রেখেছেন প্রার্থীরা। বিগত দিনের আন্দোলন-সংগ্রামে কার কী ভূমিকা ছিল, কে কতবার কারাবরণ করেছেন তার খতিয়ান তুলে ধরছেন কর্মীরা।
সাধারণ নেতাকর্মীদের মতে, বিগত দিনের রাজপথের লড়াকু সৈনিক, ত্যাগী এবং মেধাবী নেতৃত্ব নির্বাচন করলে ছাত্রদল আরও শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে যারা হামলা-মামলা উপেক্ষা করে সংগঠনকে ধরে রেখেছেন, তাদেরই যেন মূল্যায়ন করা হয় এমনটাই প্রত্যাশা তৃণমূলের।
দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকে আভাস পাওয়া গেছে, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক দক্ষতার বিচারে একটি শক্তিশালী কমিটি উপহার দেওয়া হবে, যা আগামী দিনে সিলেটের ছাত্র রাজনীতিতে নতুন প্রাণসঞ্চার করবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণে দলের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কয়েকজন ছাত্রনেতা নতুন কমিটিতে বাদ পড়তে পারেন বলেও আলোচনা রয়েছে।
