হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে শেরখাই ও নরখাই নদীর খাল খননের কাজে অনিয়ম তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। সোমবার জেলা সমন্বয় সভায় বিষয়টি তুলে ধরেন নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমীন।
বর্ষার পানিতে ভরপুর খালের পানির নিচ থেকে এক্সক্যাভেটরে করে কাদামাটি তোলা হচ্ছে শেরখাই ও নরখাই নদী থেকে। এক্ষেত্রে কাজে অনিয়ম এবং অর্থ লোপাটের দাবি তোলেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ জেলা আইনশৃঙ্খলা ও সমন্বয় সভায় বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন।
এর আগে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাঁর বক্তব্যে নবীগঞ্জ উপজেলার দীঘলবাক ইউনিয়নের শেরখাই ও নরখাই নদীর খাল খননের অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি লিখিতভাবে এলাকাবাসী তাঁকে জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
এলাকার সচেতন মহলের ধারণা, বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হলে ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আর কেউ করবে না। বিষয়টির প্রতি তারা জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আর্কষণ করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ জাপানি প্রকল্প জাইকার কাজের তদারকির জন্য এটি তদন্ত করে তাঁকে জানানোর জন্য হবিগঞ্জ জেলা নির্বাহী প্রকৌশলীকে দায়িত্ব প্রদান করেন।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নবীগঞ্জের দীগলবাক ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ হাসান দোলনকে সভাপতি করে শেরখাই ও নরখাই নদী খননের জন্য জাইকার ৬ কোটি ১২ লাখ টাকার একটি প্রকল্প কমিটি গঠন করা হয়। ক্ষমতার পরিবর্তনের পর তার সঙ্গে বিএনপি, এনসিপি ও জাতীয় পার্টির কয়েকজন নেতা মিলে প্রকল্পটির নিয়ন্ত্রণ নেন।
