BD SYLHET NEWS
সিলেটশনিবার, ৭ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:০৪
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পাহাড়ে ঝুলন্ত কাচের ক্যাপসুল হোটেল


নভেম্বর ৭, ২০২৬ ২:২৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আকাশ ও মাটির মধ্যে রাত্রিযাপন করতে চান? আপনার জন্য মাটি থেকে ৩৬৫ মিটার (১,২০০ ফুট) উঁচুতে গ্রানাইট পাথরের খাড়া পাহাড়ের গায়ে ঝুলছে স্বচ্ছ কাচের তৈরি কয়েকটি ক্যাপসুল। পেরুর ঐতিহাসিক সেক্রেড ভ্যালির ওপরে অবস্থিত হোটেল স্কাইলজ এডভেঞ্চার সুইটস। তবে কাচের এই ক্যাপসুল হোটেলে পৌঁছানোর চেক-ইন প্রক্রিয়া কারও বুকে কাঁপন ধরিয়ে দিতে পারে। সেখানে পৌঁছাতে কোনো লিফট বা সাধারণ সিঁড়ি নেই। অতিথিদের সুরক্ষা বেল্ট বেঁধে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে লোহার রড, তারের সেতু এবং মই বেয়ে ‘ভিয়া ফেরাতা’ শৈলীতে খাড়া পাহাড় বেয়ে ওপরে উঠতে হয়। নিচে তাকালেই দুইশত মিটারেরও বেশি শূন্য আকাশ এবং দূরে বয়ে চলা উরুবাম্বা নদীর সবুজ স্রোতধারা।

একদা ইনকা সাম্রাজ্যের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত পেরুর কুজকো শহর থেকে প্রায় ৯০ মিনিটের দূরত্বে এই রোমাঞ্চকর হোটেলের অবস্থান। প্রতি রাতের থাকার খরচ হিসেবে যাতায়াত, গাইড, পাহাড়ে ওঠা এবং জিপলাইনে নেমে আসার সুবিধাসহ প্রতিজনের খরচ পড়ে প্রায় ৪৮০ মার্কিন ডলার (প্রায় ৫৯ হাজার ৫১০ টাকা)। এই ঝুলন্ত ক্যাপসুলগুলোতে ছয়টি বড় জানালার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব শুকনো শৌচাগার রয়েছে। কাচের ছাদ দিয়ে ইনকাদের পবিত্র ছায়াপথ বা মিল্কি ওয়ের মনোরম দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায়। দেখা যায় রাতের আকামের আসল সৌন্দর্য। রাতে থাকার এই ঝুলন্ত ক্যাপসুলগুলোতে একটি ডাবল এবং দুটি সিঙ্গেল বিছানা রয়েছে।

ডিনারে হোটেলের ডাইনিং পডে ঐতিহ্যবাহী পেরুভীয় চার পদের খাবার পরিবেশন করা হয়। মেন্যুতে থাকে পাম্পকিন স্যুপ, চিকেন রেমুলাদ, আন্দিজের আলু এবং প্যাশনফ্রুট বা মারাকুইয়া দেয়া কাকাও ব্রাউনি। গাইড এফ্রেন লোপেজ জানান, উরুবাম্বা নদীকে ইনকারা মিল্কি ওয়ের পার্থিব আয়না হিসেবে বিবেচনা করত। পরদিন সকালে নিচে নামার প্রক্রিয়াটিও কম রোমাঞ্চকর নয়। প্রায় ১৫০ থেকে ৭০০ মিটার দৈর্ঘ্যের ছয়টি রুদ্ধশ্বাস জিপলাইনের মাধ্যমে পাহাড় থেকে নিরাপদে উপত্যকার সমতলে নেমে আসেন পর্যটকরা।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।