খেলাধুলা ডেস্ক : বাজে সময়টাকে পেছনে ফেলার ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন রশিদ খান। দ্য হান্ড্রেডে প্রথম দুই ম্যাচেই হয়েছিলেন ম্যাচসেরা। সেই রশিদকে এবার মুদ্রার অন্য পিঠটা দেখাল বার্মিংহাম ফনিক্স। তাদের বিপক্ষে ২০ বল করে তিনি বাউন্ডারি হজম করলেন ১০ বলেই। আর তাতেই তিনি গড়ে ফেললেন দ্য হান্ড্রেডের ইতিহাসে সবচেয়ে খারাপ বোলিং রেকর্ড।
চলতি বছর আইপিএলে তিনি ৩৩টা ছক্কা হজম করেছেন। এই আসর তো বটেই, ইতিহাসেই এত বেশি ছক্কা কোনো বোলার হজম করেননি এক আসরে। এরপর নিজ দেশে শপাগিজা ক্রিকেট লিগেও ভালো করতে পারেননি। এবার দ্য হান্ড্রেডে ব্যর্থতার রেকর্ডই গড়ে বসলেন তিনি।
শুধু দ্য হান্ড্রেড নয়, রশিদের নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে বোলিংয়ের রেকর্ডও এটিই। তিনি এর আগে ২০১৮ আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ৪ ওভার বল করে দিয়েছিলেন ৫৫ রান। এবার চার বল কম করেই তিনি রান দিয়েছেন ৫৯টি। তার দল ওভাল ইনভিন্সিবলস যে প্রথম হারের তেঁতো স্বাদ নিয়েছে, সেটা মূলত তার দোষেই।
রশিদ অবশ্য শুরুটা মন্দ করেননি। প্রথম পাঁচ বলের একটিতে ছক্কা খেলেও রান দিয়েছিলেন ৮টি। দ্বিতীয় ওভারে জো ক্লার্ক তাকে আরেকটি ছক্কা মেরে স্বাগত জানান। ওই ওভারে আরেকটি ছক্কা আর চারসহ ১৭ রান দেন তিনি। তৃতীয় স্পেলে একটা চার হজম করে রান দেন ৮টি। তবে শেষ ওভারে লিভিংস্টোনের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২৬ রান দেন রশিদ। লিভিংস্টোন ২৭ বলে অপরাজিত ৬৯ রান করেন, যেখানে সাতটি চার ও পাঁচটি ছক্কা ছিল। তার ব্যাটে বার্মিংহাম ফিনিক্স ৯৮ বলেই ১৮১ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ফেলে।
এর আগে ব্যাটিংয়ে ওভাল ১০০ বলে ১৮০ রান তোলে। ডোনোভান ফেরেইরা ২৯ বলে ৬৩ এবং জর্ডান কক্স ৩০ বলে ৪৪ রান করেন। বার্মিংহামের হয়ে ট্রেন্ট বোল্ট ২০ রানে দুই উইকেট এবং অ্যাডাম মিলনে ২৮ রানে দুই উইকেট নেন।
এই হারে ওভাল মৌসুমের প্রথম পরাজয় দেখল। তবে এই হারের পরেও দলটা শীর্ষেই আছে, তাদের পয়েন্ট ৮। অন্যদিকে বার্মিংহাম এই জয়ে প্রথম পয়েন্ট পেলেও তারা সপ্তম স্থানে রয়েছে।
