বৃহস্পতিবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরুণ : রাজনীতিকদের প্রতি রাষ্ট্রপতি আত-তাক্বওয়া মাসজিদের সিরাতুল মুস্তাক্বিম কনফারেন্স আগামী শুক্রবার ও শনিবার বিদ্যুৎ-গ্যাস-চাল-তেলসহ নিত্যপণ্যের দাম কমাতে হবে: বাসদ সুনামগঞ্জ জেলা আ.লীগের সম্মেলন ১১ ফেব্রুয়ারি এইচএসসির ফল, সিলেট বোর্ডে পাসের হার ৮১.৪০ শতাংশ এইচএসসি ও সমমানে পাসের হার ৮৫.৯৫ এড.নাসির উদ্দিন খানকে নিজ এলাকায় গণ সংবর্ধনার আয়োজন তুরস্কে ভূমিকম্প : ৭ বছরের মেয়ে ছোট ভাইকে আঁকড়ে রাখল ‘ভূমিকম্প’ থেকে বাঁচার আমল জেনে নিন মিশরে কোরআন প্রতিযোগিতায় তৃতীয় বাংলাদেশি তানভীর রোহিঙ্গা সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে, আশা চীনা রাষ্ট্রদূত বেশি গোল দিয়ে কোয়ার্টারে মুক্তিযোদ্ধা মামলা তুলে স্বামীর ঘরে অভিনেত্রী সারিকা শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল অক্টোবরে উদ্বোধন এইচএসসির ফল প্রকাশ কাল, যেভাবে জানা যাবে




বৃন্দাবন কলেজের সাড়ে চার কোটি টাকা আত্মসাৎ, দুই কর্মচারী বরখাস্ত

b - BD Sylhet News




বিডিসিলেট ডেস্ক : হবিগঞ্জের বৃন্দাবন সরকারি কলেজের সাড়ে চার কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের উপপরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) শাখার বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে তাঁদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার চিঠিটি কলেজে পৌঁছায়। আজ বৃহস্পতিবার কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মাসুদুল হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সাময়িক বরখাস্ত হওয়া কলেজের দুই কর্মচারী হলেন প্রধান সহকারী শাহ মো. আবদুল বশির ও ক্যাশিয়ার বাবুল মিয়া। কলেজ তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ওই দুজন ও কলেজের সাবেক অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে করা একটি মামলা সিলেট বিশেষ জজ আদালতে বিচারাধীন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বৃন্দাবন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষের পদে কর্মরত ছিলেন বিজিত ভট্টাচার্য্য। এ সময় পাঁচ খাতে কলেজের সাড়ে চার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। পরে ২০১৪ সালে অধ্যাপক বদরুজ্জামান চৌধুরী অধ্যক্ষের পদে যোগ দিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

কলেজের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ৩১টি খাতে ২ কোটি ৯৪ লাখ ১৮১ টাকা আদায় করা হয়। কিন্তু কলেজের ব্যাংক হিসাবে জমা ছিল মাত্র ১১ লাখ ১২ হাজার ৮১৩ টাকা। একই সময়ের মধ্যে ব্যাংকে লেনদেন হয় ১ কোটি ৬৫ লাখ ১২ হাজার ৯৫৭ টাকা। যার মধ্যে ১ কোটি ১৮ লাখ ৪১১ টাকা ব্যাংক হিসাবে স্থিতি থাকার কথা থাকলেও তা ছিল না। হদিস পাওয়া যায়নি কলেজের ১ কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪১১ টাকার। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ১ কোটি ১৮ লাখ ৮৩ হাজার ৪১১ টাকা জমা না দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে ২০১৯ সালের প্রথম দিকে দুদক তদন্ত শুরু করে। পরে সংস্থাটির পক্ষ থেকে কলেজের অধ্যক্ষ বিজিত ভট্টাচার্য্য, প্রধান সহকারী শাহ মো. আবদুল বশির ও ক্যাশিয়ার বাবুল মিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় আদালতে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কলেজের সেই সময়কার অধ্যক্ষ বিজিত ভট্টাচার্য্যকে বরখাস্ত করা হয়।

কলেজ তহবিলের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের বিষয়ে কথা বলার জন্য আজ বিকেলে বেশ কয়েকবার কলেজের প্রধান সহকারী শাহ মো. আবদুল বশির ও ক্যাশিয়ার বাবুল মিয়ার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তাঁরা ধরেননি।

বৃন্দাবন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মাসুদুল হাসান জানান, অধিদপ্তরের নির্দেশ অনুযায়ী আবদুল বশির ও বাবুল মিয়ার বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হবে ২০১৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। এ ক্ষেত্রে এ দুজনের চার বছরের বেতনের অর্ধেক টাকা জমা দিতে হবে সরকারি কোষাগারে।

সু্ত্র: প্রথম আলো

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২২
Design & Developed BY Cloud Service BD