BD SYLHET NEWS
সিলেটশুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১০:০০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফ্যাটি লিভারে কি খাওয়া যায় ফলের রস?


জানুয়ারি ১৯, ২০২৬ ৫:৪৮ অপরাহ্ণ
Link Copied!

গোটা ফল চিবিয়ে খাওয়ার সময় নেই। তাই ঢকঢক করে ফলের রস খেয়ে ফেললেন। ডায়াবেটিসে একদম খাওয়া চলে না ফলের রস। কিন্তু লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে কি ফলের রস খাওয়া যায়? নাকি সেখানেও শরীরের কোনও ক্ষতি হতে পারে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

ফল থেকে রস বের করার সময়ে সমস্ত ফাইবার বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। ফলের রসের মধ্যে ভিটামিন, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট কিছুই অবশিষ্ট থাকে না। অর্থাৎ, ফলের যে পুষ্টি, তার বেশিরভাগই বাদ চলে যায়। ফলের রসে যে শর্করা থাকে, সেটা লিভার ফ্যাটে পরিণত করে। এই প্রক্রিয়ায় ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা বেড়ে যায়, যা ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে। সহজ কথায়, নিয়মিত ফলের রস খেলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ে।

তাজা ফলের চেয়ে ফলের রসে বেশি শর্করা থাকে। দিনের পর দিন ফলের রস খেলে শরীরে বাড়তে থাকে শর্করার মাত্রা। আর লিভার এই শর্করাকে ফ্যাটে রূপান্তর করে। এই অতিরিক্ত ফ্যাট নন-অ্যালকোহলিক ফ্যাটি লিভার, ডায়াবেটিস ও ওবেসিটির ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে।

চিকিৎসকদের মতে, মাঝেমধ্যে ফলের রস খাওয়ায় কোনও ক্ষতি নেই। এক গ্লাস ফলের রস কোনও রকম চিনি না মিশিয়ে খেতে পারেন। যাদের শরীর অত্যন্ত দুর্বল, পিরিয়ডের সময় আরও দুর্বল হয়ে পড়ে, তারা ওই সময়ে ফলের রস খেতে পারে। এছাড়া প্রতিদিন ফলের রস খাওয়া একেবারেই ভালো নয়।

গোটা ফলের মধ্যে ফাইবার থাকে, যা শর্করা শোষণের প্রক্রিয়াকে ধীর করে দেয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়তে দেয় না। ফলের রস তৈরির সময়ে এই ফাইবারই বাদ চলে যায়। তাই ফলের রস খেলে সুগার লেভেল বেড়ে যায়। এ ছাড়া গোটা ফল খেলে যেমন পেট অর্ধেক ভরে যায়, ফলের রসে তার সিকিভাগ ঘটে না। গোটা ফলের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও থাকে, যা লিভারের কোষকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। গোটা ফল খেয়ে ফ্যাটি লিভারের সমস্যাও দূর করে দেওয়া যায়। এই সব কারণেই ফলের রসের বদলে গোটা ফল খাওয়াই ভালো।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।