BD SYLHET NEWS
সিলেটশুক্রবার, ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সকাল ১১:৪৫
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শীতকালীন সবজির গুণাগুণ


জানুয়ারি ৫, ২০২৬ ৫:১৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকোলি
শীতে সবার পাতেই কমবেশি কপিজাতীয় সবজি থাকে। ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত এসব সবজি খেতে পারেন। এই সবজিতে গ্লুকোসিনোলেট ও কার্বন-৩ ইন্ডোল নামে দুটি যৌগ রয়েছে। যৌগ দুটি বিভিন্ন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। নারীদের ইস্ট্রোজেন প্রোজেস্টেরনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে কপিজাতীয় সবজি। এর দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার পেট ভালো রাখে। এতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ও আয়রন শোষণে সাহায্য করে। এতে থাকা ভিটামিন কে হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

টমেটো
টসটসে রসালো টমেটো দেখলেই খেতে ইচ্ছা করে। কাঁচা-পাকা উভয় অবস্থায়ই খেতে পারেন টমেটো। এতে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, লাইকোপেনসহ উপকারী অনেক উপাদান। এসব উপাদান হূদরোগ, চোখের রোগ, বিভিন্ন ক্যান্সার এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। ত্বক ভালো রাখতে টমেটো খেতে পারেন। টমেটোতে রয়েছে ভিটামিন কে ও পটাসিয়াম। এগুলো হাড় মজবুত রাখে, রক্ত জমাটবাঁধা ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

শিম
শীতকালীন বিভিন্ন অসুখবিসুখ প্রতিরোধে সাহায্য করে শিম। এতে থাকা প্রোটিন পেশি গঠনে ভূমিকা রাখে। যাঁদের বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা রয়েছে, তাঁরা নিয়মিত শিম খেতে পারেন। শিমে থাকা ফাইবার হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। শিমে থাকা পটাসিয়াম, ফোলেট, কপার, রক্তচাপ ও হূদরোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

গাজর
গাজরে ভিটামিন এ পাওয়া যায়। এই ভিটামিন আমাদের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে। গাজরের ভিটামিন সি, লুটেইন, জেক্সানথিন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট চোখ ভালো রাখতে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। গাজরে ক্যালরি কম ও ফাইবার বেশি। ফলে ওজন কমাতে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে, কোলেস্টেরল কমাতে এবং ডায়াবেটিক রোগীরা নির্বিঘ্নে গাজর খেতে পারেন।

মটরশুঁটি
মটরশুঁটিতে ক্যালরি ও ফ্যাট কম। ওজন কমাতে মটরশুঁটি খেতে পারেন। ডায়াবেটিক রোগীদের জন্যও এটি উপকারী সবজি। এ ছাড়া গাজরে রয়েছে ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন বি৬, ফোলেট ও পটাসিয়াম। এসব উপাদান হজমশক্তি বৃদ্ধি, কোলেস্টেরল কমাতে এবং হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে। এতে থাকা পলিফেনাল নামক উপাদান পাকস্থলীর ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

বিট
বিটে বিভিন্ন ধরনের খনিজ, ভিটামিন, নাইট্রেট বেটালাইন, ফাইবার ও ফোলেট পাওয়া যায়। এগুলো রক্তচাপ কমাতে, রক্তস্বল্পতা, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এবং ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে।

পালং শাক
পালংশাকে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন সি, আয়রন, ক্যালসিয়াম, ফোলেট, যা শিশুর বুদ্ধি ও বিকাশ, জন্মগত ত্রুটি ও রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।