গাহি সাম্যের গান মানুষের চেয়ে বড় কিছু নহে কিছু মহিয়ান” এই সেরা উক্তিকে ধারণ করে কাজী নজরুল ইসলামের সিলেট আগমনের শতবছর উপলক্ষে গত ৩১ অক্টোবর শনিবার বিকাল ৩টায় মুক্তাক্ষর আয়োজন করে শিশু কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও আবৃত্তি অনুষ্ঠানের।
সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠানের উদ্ভোধন করেন সিলেটের সংস্কৃতিজন শামসুল বাসিত শেরো। সে সময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তাক্ষরের উপদেষ্টা ড. শহিদুল ইসলাম ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট ওয়াসা’র চেয়ারম্যান মিফতাহ সিদ্দিকী। প্রধান অতিথির মাধ্যমে মুক্তাক্ষরের বিভিন্ন সময়ের নজরুলের অনুষ্ঠানের স্থিরচিত্র দিয়ে ব্রুশিয়ারের মোড়ক উন্মোচন ও সম্মাননা প্রদান করা হয়। সে সময় উপস্থিত ছিলেন আবৃত্তি শিল্পী সালেহ আহমেদ খসরু।
বিভিন্ন জেলা থেকে আমন্ত্রিত আবৃত্তি শিল্পীরা ছিলেন চট্টগ্রামের দেবাশীষ রুদ্র, হবিগঞ্জের অজয় রায়, মৌলভীবাজারের হামিদা বেগম ঝুমা, সুনামগঞ্জের মিজানুর রহমান মিজান। সিলেটের নন্দিতা দত্ত।
কবি কণ্ঠে স্বরচিত লেখা পাঠ করেন ঢাকার কবি মোঃ জাহিদ হোসেন। জগন্নাথপুর সুনামগঞ্জের শেখর আচার্য, বিয়ানীবাজারের আজিজ ইবনে গণি, ফেঞ্চুগঞ্জের সুহেনা আক্তার প্রিন্সেস হেনা।
সিলেটের ছড়াকার অজিত রায় ভজন, দিলোয়ার হোসেন দিলু, সজল ঘোষ, কবি অমিতা বর্ধন, হিমাংশু রায় হিমেল, সাজন আহমদ সাজু, খালেদ উদ্দিন, মুন্নি আক্তার প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন মুক্তাক্ষর সিলেট ও ছাতক শাখার শিক্ষার্থীরা। উপস্থিতি দর্শক সারি থেকেও অনেক শিশুরা আবৃত্তিতে অংগ্রহণ করেন। বিমল করের সভাপতিত্বে সঞ্চালনায় ছিলেন পুনম কর পূজা ও শ্রেয়া সরকার। সকল অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করেন স্বপ্ন কর।
অনুষ্ঠানে নজরুল বর্ষের আবৃত্তি প্রতিযোগিতার নলেজ গার্ডেন স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের পুরস্কার প্রদান করেন চট্টগ্রামের আবৃত্তি শিল্পী দেবাশীষ রুদ্র ও হবিগঞ্জের আবৃত্তি শিল্পী অজয় রায়।
সন্ধ্যায় শিশু কিশোরদের নাস্তার পর বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান করেন সিলেটের স্থানীয় কবিরা। অনুষ্ঠানে আসা সকল অংশগ্রহণকারী অতিথিদের মধ্যে কলম ও উৎসব ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিমল করের কণ্ঠে শত আবৃত্তির কবিতায় সেরা কবি নির্বাচিত হওয়া মাসুদা সিদ্দিকা রুহীকে সম্মাননা প্রদান করা হয় প্রধান অতিথির মাধ্যমে। চিত্রাঙ্কনের বিচারক ছিলেন রন্টু আচার্য ও প্রিয়াশ্রী কর পিউ।
