BD SYLHET NEWS
সিলেটরবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৭:২৯
আজকের সর্বশেষ সবখবর

জনগণের ভালোবাসা নিয়ে শেওলা ইউনিয়নের উন্নয়নে কাজ করতে চান খন্দকার অলিউর রহমান নাসির


অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ৫:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ৪নং শেওলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে কাজ করছেন খন্দকার অলিউর রহমান নাসির। তিনি শেওলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। এলাকার মানুষের সেবা, উন্নয়ন ও জনকল্যাণকে সামনে রেখে ইউনিয়নের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন তিনি।

খন্দকার অলিউর রহমান নাসির বলেন, “আমি ৪নং শেওলা ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই। এলাকার মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও সমর্থন নিয়ে ইউনিয়নের উন্নয়ন এবং জনকল্যাণে ভূমিকা রাখাই আমার মূল লক্ষ্য।”

তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে মানুষের কথা শুনতে হবে, তাদের সমস্যা বুঝতে হবে এবং সাধ্যমতো সমাধানের উদ্যোগ নিতে হবে। ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেও তিনি মনে করেন।

সম্ভাব্য নির্বাচনী পরিকল্পনার বিষয়ে নাসির জানান, চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, পরিচ্ছন্নতা, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্ব দিতে চান তিনি। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদকে সাধারণ মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, “আমি দল-মত নির্বিশেষে সবার জন্য কাজ করতে চাই। কোনো ধরনের বৈষম্য নয়, বরং সবার মতামত ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে শেওলা ইউনিয়নকে একটি সুন্দর ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করব।”

এলাকার মানুষের দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করে নাসির বলেন, জনগণের সমর্থন পেলে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

এদিকে, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা ও স্থানীয় রাজনৈতিক আলোচনা বাড়ছে। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে খন্দকার অলিউর রহমান নাসিরের সক্রিয়তা শেওলা ইউনিয়নের স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।