BD SYLHET NEWS
সিলেটবুধবার, ১৩ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৪৮
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সিলেটে হামের উপসর্গে একদিনে ৩ শিশুর মৃত্যু


মে ১৩, ২০২৬ ৩:৪২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

সিলেটে হাম ও হামের উপসর্গে মৃত্যুর সংখা বেড়েই চলছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেটে আরও তিন শিশু মারা গেছে। এ নিয়ে এই বিভাগে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। মারা যাওয়াদের সকলেই শিশু।

বুধবার (১৩ মে) সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় থেকে এসব তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

গত ২৪ ঘন্টায় মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে রয়েছে সিলেটের কানাইঘাটের ২ বছর ৩ মাস বয়সী হাফিজা আক্তার, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের ১ বছর ৪ মাস বয়সী রাইসা জান্নাত এবং ছাতকের ৮ মাস বয়সী আরিয়া জান্নাত।

এছাড়া গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯২ জন সন্দেহভাজন রোগী।

বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২১৭ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী। এর মধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১১০ জন এবং ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ জন ভর্তি আছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালসহ হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন হাসপাতালেও রোগীর চাপ বাড়ছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে। একই সময়ে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৬ জন।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যে আরও জানা গেছে, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সিলেটে হাম শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৪৭ জনে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৭৩ জন শনাক্ত হয়েছে সুনামগঞ্জে।

এদিকে, হাম রোগীদের চাপ বৃদ্ধির কারণে সোমবার থেকে সিলেট এমএ ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ৩২ সিটের একটি হাম ইউনিট চালু করা হয়েছে। নতুন করে বাড়ানো হয়েছে পাঁচ শয্যার নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রও। সবমিলিয়ে সিলেটে মোট নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের সংখ্যা এখন ২২।

সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ওমর মুনীর রাশেদ এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, হামের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় ওসমানী হাসপাতালে স্থান সংকুলান হচ্ছিল না। এজন্য সোমবার নতুন করে ওসমানী হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চালু করা হয়েছে একটি বিশেষ ‘হাম আইসোলেশন ইউনিট’। পাশাপাশি ৫ শয্যার আইসিইউ বাড়ানো হয়েছে।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।