স্পোর্টস ডেস্ক : অবশেষে চ্যাম্পিয়নস লিগের অধরা শিরোপা হাতে পেয়েছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেই। ফাইনালে ইন্টার মিলানকে রীতিমতো বিধ্বস্ত করেছে ফরাসি জায়ান্টরা। তবে প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের আনন্দ রূপ নিয়েছে সহিংসতায়।
শনিবার (৩১ মে) রাতে মিউনিখের আলিয়েঞ্জ অ্যারেনায় ম্যাচ শেষ হওয়ার পরই প্যারিসে শুরু হয় উদযাপন, যা অল্প সময়েই রূপ নেয় বিশৃঙ্খলায়। পিএসজির মাঠ পার্ক দে প্রিন্সেসে কড় পর্দায় দেখানো হয়েছিল খেলা। খেলা শেষে বিশাল মিছিল বের হয় চ্যাম্পস-এলিস অ্যাভিনিউতে।
এ সময় আতশবাজি, পটকা, এবং পুলিশের দিকে ছোড়া বস্তু—সবকিছু মিলিয়ে রাস্তাজুড়ে সৃষ্টি হয় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পুলিশ টিয়ার গ্যাস ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয় উগ্র সমর্থকদের।
কেউ কেউ দোকানপাট লুট করার চেষ্টাও করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ ব্যবহার করে জলকামান। রাতেই আটক হন ২৯৪ জন। এএফপির সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, দুপুর পর্যন্ত আটক করা হয়েছে ৫৫৯ জনকে। পুলিশ ও দর্শকের হাতাহাতিতে প্রাণ হারান দুই জন।
সংঘর্ষের প্রভাবে মেট্রো সেবাও সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়, কিছু সমর্থক রেললাইনে উঠে পড়ায় বাধ্য হয়ে থামিয়ে দেওয়া হয় ট্রেন চলাচল।
পরিস্থিতি এতটাই ঘোলাটে হয়েছিল, পিএসজি তারকা উসমান দেম্বেলে ভক্তদের থামার আহ্বান জানান। ক্যানাল প্লাসে কথা বলার সময় দেম্বেলে বলেন, আপনারা উদযাপন করুন কিন্তু প্যারিসে কোনো ভাঙচুর ছাড়া।
