ক্রীড়া ডেস্ক : আগামী ২১ জানুয়ারি বিপিএলের সপ্তম আসর মাঠে গড়ানোর কথা। তার আগে ২৭ ডিসেম্বর সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হবে প্লেয়ার্স ড্রাফট। প্লেয়ার বেচা-কেনার এ আসর থেকেই পছন্দের তারকাকে দলে ভেড়াবে ছয়টি ফ্র্যাঞ্চাইজি।
রোববার মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী (সিইও) নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বিপিএলের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন।
প্লেয়ারদের পারিশ্রমিক সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে সুজন বলেন, ফ্র্যাঞ্চাইজিদের সঙ্গে আমাদের নির্ধারিত এগ্রিমেন্ট (চুক্তি) থাকবে। সেখানে টার্মসগুলো বলা আছে। সেভাবেই খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক নিশ্চিত করা হবে।
টুর্নামেন্টে কোভিড প্রটোকল নিয়ে বিসিবির এই কর্মকর্তা বলেন, করোনার এই কঠিন সময়ে ক্রিকেটার ও টিম ম্যানেজমেন্টকে একটা বায়ো-বাবল প্রটোকলের মধ্যে রাখা হবে। যারা করোনা টেস্টে নেগেটিভ হবেন তাদেরই এ বায়ো-বাবলে নেওয়া হবে। চেষ্টা থাকবে বায়ো-বাবল নিশ্চিত করেই টুর্নামেন্টটা সফলভাবে শেষ করা।
প্রসঙ্গত, বিপিএলের সপ্তম আসরে দেশি ২১২ জন ক্রিকেটারের জন্য ড্রাফটে ছয়টি ক্যাটাগরি করা হয়েছে। সর্বোচ্চ ‘এ’ ক্যাটাগরির ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ লাখ টাকা করে। ‘বি’ ক্যাটাগরির ৩৫ লাখ, ‘সি’ ক্যাটাগরি ২৫ লাখ, ‘ডি’ ক্যাটাগরি ১৮ লাখ, ‘ই’ ক্যাটাগরি ১২ লাখ আর ‘এফ’ ক্যাটাগরিতে থাকা ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক ধরা হয়েছে ৫ লাখ টাকা করে।
