অনালাইন ডেস্ক : সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় টাস্কফোর্সের অভিযানে আরো ১৪ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে।
শনিবার (২৩ আগস্ট) উপজেলার ৪ নম্বর বাংলাবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ পাথর জব্দ করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাতে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পাথর লুটের ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়।
জানা যায়, শনিবার সকাল ১১টায় জৈন্তাপুর উপজেলার ৪ নম্বর বাংলাবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা। অভিযানে অংশ নেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আক্তার লাবনী, জৈন্তাপুর মডলে থানা পুলিশ ও সিলেট ব্যাটালয়িন ৪৮ বিজিবির অধীনস্থ শ্রীপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা।
এ সময় বাংলাবাজার এলাকায় কয়েকটি ক্রাশার মিলে অভিযান চালিয়ে রাংপানি নদীর পাথর মজুদকৃত ২ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করে টাস্কফোর্স। পরে শ্রীপুর চা বাগানের পাশে মজুদ করে রাখা আরো ১২ হাজার ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জর্জ মিত্র চাকমা বলেন, ‘শনিবার অভিযানে শ্রীপুর চা বাগান এলাকা থেকে জব্দ করা ১২ হাজার ঘনফুট পাথর জাফলং পিয়াইন নদীতে পুনঃস্থাপন করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহে ৪ নম্বর বাংলাবাজার এলাকায় জব্দকৃত সাড়ে নয় হাজার ঘনফুট পাথর এবং আজ ক্রাশার মিলে জব্দ ২ হাজার ঘনফুটসহ মোট সাড়ে এগারো হাজার ঘনফুট পাথর রাংপানি নদীতে পুনঃস্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে।’
এর আগে শুক্রবার রাতে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে পাথর লুটের ঘটনায় দুজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, গোয়াইনঘাট উপজেলার মামার বাজার এলাকার আফজল হোসেন ও লাখেরপাড় গ্রামের জাবেদ আহমদ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ৭, ৮ ও ৯ তারিখ টানা তিন দিনে জাফলং জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ হাজার ঘনফুট পাথর লুট করা হয়। যার বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা। এ ঘটনায় গত সোমবার (১৮ আগস্ট) ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা আব্দুল মুনায়েম বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১০০ থেকে ১৫০ জনকে আসামি করে গোয়াইনঘাট থানায় মামলা (নম্বর-২৯) করেন।
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন বলেন, ‘শুক্রবার রাতে পাথর লুটের ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে।
তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
