সিলেট বিভাগের পাথর ও বালু মিশ্রিত পাথর কোয়ারির সর্বশেষ অবস্থা ও করণীয় বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সভা আহ্বান করা হয়েছে। কোয়ারি খুলবে কিনা আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠেয় এ সভায় সিদ্ধান্ত হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-১১ মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সরোয়ার স্বাক্ষরিত চিঠিতে এ সভা ডাকা হয়েছে।
এতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিব ছাড়াও সিলেট-১ আসনের সংসদ সদস্য, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, বিভাগীয় কমিশনার প্রমুখ উপস্থিত থাকতে পারেন।
এ বিষয়ে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন, সিলেট বিভাগের পাথর কোয়ারিগুলো খুলে দেওয়া যাবে কিনা, গেলে কোন পদ্ধতিতে দেওয়া হবে ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে।
বছরের পর বছর ধরে বন্ধ হয়ে আছে সিলেটের পাথর কোয়ারিগুলো। অতীতে শ্রমিক-ব্যবসায়ীদের আন্দোলন ও দাবির মুখে একাধিকবার সরেজমিন তদন্ত করে কোয়ারি খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তর। কিন্তু পরিবেশবাদীদের আপত্তি, যন্ত্রের ব্যবহার, পাথরের মজুতসহ নানা কারণে সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয়নি।
সর্বশেষ গত বছরের ১৩ জানুয়ারি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সারাদেশের গেজেটভুক্ত পাথর কোয়ারি, সিলিকাবালু কোয়ারি, নুড়ি পাথর, সাদা মাটি উত্তোলনসহ অন্য সব কোয়ারির ইজারা বন্ধ থাকার নির্দেশ বাতিল করে। এতে পাথর তোলায় বাধা না থাকলেও বেঁকে বসেন পরিবেশ উপদেষ্টা। এ প্রেক্ষাপটে গত ত্রয়োদশ নির্বাচনী প্রচারে স্থান পায় পাথর কোয়ারি খুলে দেওয়ার বিষয়টি।
আগামীকালের সভায় কোয়ারি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে প্রত্যাশা করছেন কোয়ারি-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা।
