BD SYLHET NEWS
সিলেটসোমবার, ২৬শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১০:১০
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শীর্ষ নেতাদের কার জনপ্রিয়তা কেমন


জানুয়ারি ২৬, ২০২৬ ৭:৩৬ অপরাহ্ণ
Link Copied!

অনলাইন ডেস্ক :  আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছেন প্রার্থীরা। নিজেদের যেকোনো বার্তা মুহুর্তেই পৌছে দিচ্ছেন দেশজুড়ে। লাইভ সম্প্রচারের মাধ্যমে জনসভা-পথসভার বক্তব্য প্রচার করছেন দেশ-বিদেশে থাকা ভোটার-সমর্থকদের কাছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর মধ্যে বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় ফেসবুক। এই মাধ্যমটিতে কোন নেতার অনুসারী কেমন তা নিয়ে আগ্রহ রয়েছে অনেকের।

বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে ফেসবুকে সবচেয়ে বেশি অনুসারী রয়েছে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। বিএনপির চেয়ারম্যানের ভেরিফায়েড (স্বীকৃত) ফেসবুক পেজটি তৈরি হয় ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তৈরি। জনপ্রিয় এ মাধ্যমটিতে তার অনুসারীর সংখ্যা ৫৬ লাখ।তিনি এবার বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

তারেক রহমানের পেজ থেকে তিনটি পেজকে অনুসরণ করা হয়। তাঁর মা ও প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পেজ, মেয়ে জাইমা রহমানের পেজ এবং বিএনপির পেজ। তারেক রহমানের পেজ থেকে তাঁর নির্বাচনী প্রচারের কার্যক্রম তুলে ধরা হচ্ছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের (ঠাকুরগাঁও–১) নামেও একটি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ রয়েছে। সেটির অনুসারী সাড়ে ৯ লাখের মতো। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদের (কক্সবাজার–১) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের অনুসারী ২ লাখ ১৮ হাজার।

অন্যদিকে, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ঢাকা-১৫ আসন থেকে। তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ২৩ লাখ।

২০১৫ সালের এপ্রিলে এই ফেসবুক পেজ তৈরি করা হয়। তাঁর পেজ থেকে অনুসরণ করা হয় শুধু জামায়াতের ফেসবুক পেজকে। নিজের নির্বাচনী প্রচারের কার্যক্রম ফেসবুক পেজ থেকে তুলে ধরেছেন জামায়াতের আমির।
দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের (খুলনা–৫) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অনুসারী ৫ লাখ ৩০ হাজার। আর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে অনুসরণ করেন ২ লাখ ৭৬ হাজার ফেসবুক ব্যবহারকারী।

এছাড়া, ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রার্থী হয়েছেন। তাঁর ১২ লাখ অনুসারীর পেজটি তৈরি করা হয় ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। নাহিদের ফেসবুক পেজেও তাঁর নির্বাচনী কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। তাঁর আরেকটি ভেরিফায়েড আইডি রয়েছে, সেটির অনুসারী ১৪ লাখ।

ফেসবুকে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনকে অনুসরণ করেন ৩ লাখ ৩৩ হাজার ব্যবহারকারী। তবে দলটির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর অনুসারী ৩৪ লাখ। উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুসারী সংখ্যা ৩১ লাখ।

শীর্ষ নেতাদের মধ্যে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ২ লাখ ৩৭ হাজার। এই পেজ তৈরি হয়েছে ২০১৯ সালের মার্চে। তিনি ঢাকা-১৮ ও বগুড়া-২ আসনের প্রার্থী।

বিএনপির জোটসঙ্গী হিসেবে ভোলা-১ (ভোলা সদর) আসনে নির্বাচন করছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ। তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে অনুসারীর সংখ্যা ৩২ লাখ। ২০০৯ সালের জানুয়ারি এটি খোলা হয়েছিল।

গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হকের ফেসবুক পেজ ২০২০ সালের জানুয়ারিতে খোলা। অনুসারীর সংখ্যা ৯ লাখ ৭৫ হাজার। তিনি পটুয়াখালী-৩ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের অনুসারীর সংখ্যা ৬ লাখ ৬১ হাজার। তিনি বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ঢাকা-১৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

জামায়াতের সঙ্গে ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে যোগ দিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু ফেনী-২ আসনের প্রার্থী। তাঁর আইডিতে অনুসারী ৯৪ হাজার।

অন্যদিকে, বেশ কয়েকজন আলোচিত প্রার্থীর ফেসবুক পেজ ঘেঁটে দেখা যায়, তাঁদের মধ্যে অনুসারীর দিক দিয়ে এগিয়ে রয়েছেন ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা। তাঁর ফলোয়ার ৭১ লাখের বেশি। জারার ফেসবুক পেজটি বেশ পুরোনো, ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে খোলা।

কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।