দেশের নেতৃস্থানীয় নির্মাণ সামগ্রী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ পিএলসি. টপ এমপ্লয়ার ইন্সটিটিউট থেকে অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘টপ এমপ্লয়ার’ সনদ লাভ করেছে। বিগত বছরগুলোতে মানবসম্পদ উন্নয়নে সেরা অনুশীলনের স্বীকৃতি স্বরুপ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারী) ২০২৬ সালের জন্য এই সনদ প্রদান করা হয়েছে।
টপ এমপ্লয়ার ইন্সটিটিউট একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, যা মানবসম্পদ কৌশল ও সনদ প্রদানের ক্ষেত্রে বিশে^র অন্যতম শীর্ষস্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কর্মক্ষেত্রে চমৎকার মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বা ‘পিপল প্র্যাকটিস’ কে স্বীকৃতি প্রদান এবং সামগ্রিক কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি। এই সনদ প্রদান করার ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির ‘এইচ আর বেস্ট প্র্যাকটিসেস সার্ভে’ তে অংশ গ্রহন করতে হয়। সার্ভের ফলাফল অনুসারে প্রদান করা হয় সনদ। এই সার্ভের মোট ৬টি ডোমেইন ও ২০টি বিষয় রয়েছে, যার মধ্যে মানবসম্পদ কৌশল, কর্মপরিবেশ, প্রতিভা অন্বেষণ, শিক্ষা ও উন্নয়ন, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি, কর্মীদের কল্যাণ এবং কর্মীদের মতামত গ্রহন অন্যতম। লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ এই সকল মানদন্ডে দারুন ফলাফল অর্জন করেছে যা বাংলাদেশে টপ এমপ্লয়ার হিসেবে লাফার্জহোলসিম এর অবস্থানকে সুদৃঢ় করেছে।
এই স্বীকৃতি লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশের যে সকল কর্মী রয়েছে, তাদের প্রতি দৃঢ় অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ। একটি অসাধারন কর্মপরিবেশ তৈরি করতে কোম্পানিটি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে মেধা লালন করা হয়, বৈচিত্র্যকে উদযাপন করা হয়, কর্মীদের অংশগ্রহন নিশ্চিত করা হয় এবং তাদের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়।
টপ এমপ্লয়ার হিসেবে স্বীকৃতি বিষয়ে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ এর প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা ইকবাল চৌধুরী বলেন, “লাফার্জহোলসিম এ আমাদের যা কিছু অর্জন, তার চালিকাশক্তি আমাদের কর্মীবৃন্দ। একটি কোম্পানির প্রকৃত সাফল্য কেবল সংখ্যার হিসাবে সীমাবদ্ধ নয় বরং তা প্রতিটি কর্মীর প্রবৃদ্ধি, উন্নয়ন ও তাদের পূর্ণ বিকাশের মধ্য দিয়ে প্রতিফলিত হয়। নিরবিচ্ছিন্নভাবে কর্মীদের কল্যাণে বিনিয়োগ করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। আমরা এমন একটি কর্মপরিবেশ তৈরি করতে চাই যেখানে সকলে গর্ব অনুভব করবে যে তারা এমন একটি কোম্পানির অংশ, যে কোম্পানি টেকসই নির্মাণে অবদান রাখছে ।”
লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ এর মানবসম্পদ পরিচালক এ কে এম আতিকুর রহমান বলেন, “এই স্বীকৃতি পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। পারপাস, পিপল ও পারফরমেন্স আমাদের অসাধারন কর্মপরিবেশ তৈরির মূলমন্ত্র। আমাদের সকল কর্মীর জন্য আমরা এমন একটি অসাধারন কর্মপরিবেশ তৈরি করতে কাজ করছি যেখানে প্রত্যেক কর্মী উৎসাহিত হবেন এবং আমাদের লক্ষ্যের সাথে একত্মতা প্রকাশ করবেন। কর্মীদের টেকসই উন্নয়নে আমাদের আজকের বিনিয়োগ আগামী দিনগুলোতে আমাদের লক্ষ্য অর্জনে গতিশীলতা আনবে এবং বিশ^জুড়ে বিভিন্ন শিল্পে নেতৃত্বের টেকসই উত্তরাধিকার গড়ে তুলবে। ”
হোলসিম ইউনিভার্সিটি ও ক্যারিয়ার হাবের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ কর্মীদের মান উন্নয়নে কাঠামোভিত্তিক প্রশিক্ষণ প্রদান করে এবং কর্মজীবন বিকাশে সুবিন্যস্ত পথ প্রদর্শণ করে। এছাড়া কোম্পানিটি কর্মীদের সামগ্রিক কল্যাণ ও প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে বিস্তৃত পরিসরে সুযোগ-সুবিধা ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রদান করে। এই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপগুলো এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলার প্রতি লাফার্জহোলসিম এর অঙ্গীকারকে স্পষ্ট করে যেখানে মেধার বিকাশ ঘটে, উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করা হয় এবং কর্মীরা তাদের পূর্ণ সম্ভবনার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারেন।
টপ এমপ্লয়ার হিসেবে এই স্বীকৃতি বাংলাদেশে ‘এমপ্লায়ার অব চয়েস’ হিসেবে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ এর সুনামকে আরও দৃঢ় করেছে। প্রবৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদী কর্মজীবন উন্নয়নের একটি বিশ^স্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ শীর্ষস্থানীয় পেশাদারদের আকৃষ্ট করছে।
