শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত কোটা সংস্কারের ব্যাপারে নীতিগতভাবে আমরা একমত: আইনমন্ত্রী ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে, গুজবে কান না দেয়ার অনুরোধ পুলিশের আজ আমেরিকান দূতাবাস ও সকল ভারতীয় ভিসা সেন্টার বন্ধ ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান জানালেন পলক সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের জরুরি সভা: কর্মসূচি ঘোষণা আগামীকাল সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন শাবিপ্রবির হলে তল্লাশী, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদের বোতল উদ্ধার ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ৪ ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ সিলেটে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী সিলেটে সড়ক দু-র্ঘ’ট’না’য় ২ কিশোর নি-হ-ত কারো মা-বাবার বুক এভাবে খালি হতে পারে না: শাকিব খান শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আজীবন নিষিদ্ধ অধ্যাপক জাফর ইকবাল




একসঙ্গে বিসিএস দিয়ে কৃষি ক্যাডার হলেন স্বামী-স্ত্রী

Untitled 2 copy 4 - BD Sylhet News




বিডিসিলেট ডেস্ক : আমরা পড়াশোনা করেছি পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে। আমরা একই অনুষদের, আমাদের প্র্যাকটিক্যাল গ্রুপ ছিল একই। কৃষি বিষয়ে ২০১৮ সালে স্নাতক এবং ২০১৯ সালে মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতকোত্তর শেষ করেছি। আমাদের বিয়ে হয় ২০২৪ সালের ১ মার্চ।

বিসিএস নিয়ে স্বপের শুরুটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ে। ৩৬তম বিসিএসে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সিনিয়র অনেকেই সুপারিশপ্রাপ্ত হন। তখন থেকেই বিসিএসের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠি। অনার্স শেষের দিকে ঢাকা গিয়ে এক সেট প্রিলিমিনারি বই কিনি।

কিন্তু একাডেমিক পড়ার চাপে বইগুলো সেভাবে পড়তে পারিনি।মূলত মাস্টার্সের সময়টাতেই পুরোদমে বিসিএসের প্রস্তুতিতে মনোযোগ দিই। মাস্টার্স শেষ করে ঢাকায় এসে ভর্তি হই কোচিংয়ে। বিসিএসের পাশাপাশি অন্যান্য চাকরির জন্যও চেষ্টা করেছি।

হিসাব করলে ২০টার কম হবে না। কিছু পরীক্ষায় প্রিলিতেই পাস করতে পারিনি। আবার কিছু পরীক্ষার প্রিলি, লিখিত পাস করে ভাইভায় উত্তীর্ণ হতে পারিনি।

ব্যাংক, নিবন্ধন, প্রাইমারি, সিভিল অ্যাভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এ ভাইভা দিয়েছি। এর মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছি।

আমার স্ত্রীও আমার মতোই অনেক পরীক্ষা দিয়েছে। প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক হয়েছিল, যোগ দেয়নি; মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসেবে কিছুদিন চাকরি করেছে, ব্যাংকেও ভাইভা দিয়েছে। এরপর হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে (সিজিএ) অডিটর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছে।
আমরা মূলত তখন ৪১তম বিসিএসের প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। মাঝখানে ১৫তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করে ভাইভা দিই। করোনার সময় দুজনেই অনলাইনভিত্তিক বিসিএস মডেল টেস্টে অংশ নিই, দুজনের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা চলে আসে—কার চেয়ে কে বেশি নম্বর পেল! এভাবে দুজনেরই প্রস্তুতি খুব ভালো হলো। এর পর থেকে আমরা যেসব নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই টিকেছি। ৪১তম বিসিএসে অংশ নিয়ে আমি নন-ক্যাডার পাই, স্ত্রী রিটেনে ফেল করে। এরপর আসে ৪৩তম বিসিএস। আগে থেকেই প্রস্তুতি থাকায় ৪৩তম বিসিএসের প্রস্তুতিতে খুব বেশি বেগ পেতে হয়নি। পড়াশোনার পাশাপাশি কৃষি প্রযুক্তি, খবর, টক শো ও প্রতিবেদন দেখতাম। নিয়মিত পত্রিকা পড়েছি। আগের বিসিএসে যেসব দুর্বলতা ছিল, সেগুলো কাটিয়ে উঠেছি। সব শেষে ৪৩তম বিসিএসে আমরা দুজনই কৃষি ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছি।

আমি রুটিন মেনে পড়তাম। কোন বিষয় পড়ছি, তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল কতটুকু পড়া শেষ করেছি। পড়ার পর সেই অংশের নমুনা প্রশ্নে কত নম্বর পেলাম, সেটা দিয়ে নিজেদের মূল্যায়ন করেছি। বেশি নম্বর পেতে হবে, এমন একটা প্রতিযোগিতা ছিল দুজনের মধ্যেই। গণিতের ক্ষেত্রে বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমেই অনুশীলন করেছি। বইয়ের ইংরেজি ভোকাবুলারি প্রায় সব মুখস্থ করেছিলাম, যা প্রিলিমিনারি ও লিখিত উভয় পরীক্ষায় কাজে দিয়েছে। লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতির বেলায় বিভিন্ন স্যারের অনলাইন কোর্স করেছি। সেখান থেকে আর বই ও পত্রিকা থেকে দেখে নিজে নোট করে পড়েছি। সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি গণিত, ইংরেজি, বাংলা আর বিজ্ঞানে। কারণ এসব বিষয়ে নম্বর তোলা সহজ। ফলে বিষয়গুলোতে সর্বোচ্চ নম্বর নিশ্চিত করতে পারলে অন্যান্য বিষয়ে তুলনামূলক কম পেয়েও প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকা সম্ভব।

ভাইভার ক্ষেত্রে মক (নমুনা) ভাইভা দিয়েছি। আমার স্ত্রী ভাইভা নিত, আবার তার ভাইভাও আমি নিতাম। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে নিয়মিত নিজেরা আলোচনা করতাম। ইংরেজিতে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করতাম।

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৪
Design & Developed BY Cloud Service BD