সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ১২:২২ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
সিলেটে অনুষ্ঠিত হলো চাকরি উৎসব বিদ্যুতের মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও গ্যাসের মিটারের ভাড়া মওকুফ করার দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান মঙ্গলবার বড়লেখায় সিএনজি উদ্ধার, ৪ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার জ্বালানি তেল-খাদ্যপণ্য মিয়ানমারে পাচারকালে ৬ পাচারকারী আটক জালালাবাদ গ্যাস টি এ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেড’র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন জাতীয় পর্যায়ে গণসঙ্গীত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে বড়লেখার দুই ক্ষুদে শিল্পী বেইলি রোডে ঘটনায় মাধবপুরের সেই মা-মেয়ের অন্তেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন শাবিতে চালু হচ্ছে ডিজিটাল এটেনড্যান্স সিস্টেম সবাইকে শেখ হাসিনার উন্নয়নের পক্ষে কাজ করতে হবে: সিলেটে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ লাউড় ও বৌলাই চত্তরসহ তাহিরপুরের কয়েকটি স্পষ্টের নতুন নামকরণ কুয়েতে ৪ মাস ধরে বাংলাদেশি নিখোঁজ, সন্ধান চায় স্বজনরা বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির গণবিরোধী সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন: বাম জোট ১ম দিনু স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে শপথ নেবেন যে ৭ জন




হাওরাঞ্চলের ঢোলকলমি

Untitled 6 copy 2 - BD Sylhet News




আল-আমিন সালমান, মধ্যনগর থেকে : ঢোলকলমি হাওরাঞ্চলের একটি গুল্মজাতীয় ও দ্রুত বর্ধনশীল পরিচিত উদ্ভিদ। এটি শুধু হাওরাঞ্চল নয় সমতল ভুমি, বরেন্দ্র অঞ্চল ও পাহাড়ি অঞ্চলে জন্মায়। ঢোলকলমি কলমি পরিবারের উদ্ভিদ হলেও এটি লতাজাতীয় উদ্ভিদ নয়।

উদ্ভিদটি কোনো জমিতে চাষাবাদ করতে হয় না।

আদ্র পরিবেশে এটি প্রাকৃতিকভাবেই অনাবাদি জমিতে জন্ম নেয়। এটির খারাপ দিক হলো চাষাবাদকৃত জমির উর্বরতা নষ্ট করে দেয়। এটি ১০-১৫ ফুট লম্বা হয়। একটি প্রাপ্ত বয়স্ক ঢোলকলমিতে ১৫-২০ টি পাতা ধরে।

পাতা গুলো ১২ সে.মি. থেকে ১৫ সে.মি. লম্বা হয়। পাতাগুলো দুই মাস পর পর ঝড়ে গিয়ে আবারও নতুন পাতা জন্ম নেয়।
উদ্ভিদটিতে বছরে দুই বার ফুল ধরে। একটি গাছে ৭-৮ টি দৃষ্টিনন্দন ফুল ধরে।

ফুল গুলোর রং হয় হালকা বেগুনি ও সাদা। ফুলগুলো দেখতে মাইক বা ঘণ্টার আকৃতি হয় বলে কোথাও কোথাও একে মাইক ফুল গাছ অথবা কেউ কেউ উজাওরি গাছ বলে ডাকে। এটি গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ হওয়ায় বীজ থেকে কোনো চারা জন্মায় না। এটির কাণ্ড থেকে সরাসরি ফলন হয়।

এটির পাতা তেঁতো হওয়ার কারণে গরু ছাগল পাতা খায় না।

হাওরাঞ্চলে সাধারণ মানুষ এই উদ্ভিদটি কেটে শুকিয়ে মাটির চোলায় রান্নার লাকরি হিসেবে ব্যবহার করে। এছাড়াও ফসলের মাঠ গরু ছাগলের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ঢোলকলমি দিয়ে বেড়া দেওয়া হয়। হাওরাঞ্চলের মানুষের দেহের কোনো স্থান দা, কাস্তে, চুরি ও ব্লেড দিয়ে কেটে গেলে এই উদ্ভিদের ডগার রস কাটাস্থানে ঔষধ হিসেবেও ব্যবহার করলে রক্তপাত বন্ধ হয়।

এই বিষয়ে হাওর গবেষক সজল কান্তি সরকার বলেন, ‘ হাওরাঞ্চলে পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যায় নদীর পাড় ও ফসলরক্ষা বাঁধের মাটি ক্ষয়রোধে ঢোলকলমি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে। আগের দিনের মতো পর্যাপ্ত পরিমানে গবাদি পশু না থাকায় ঢোলকলমি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়।’

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৩
Design & Developed BY Cloud Service BD