রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের সব বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত কোটা সংস্কারের ব্যাপারে নীতিগতভাবে আমরা একমত: আইনমন্ত্রী ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে, গুজবে কান না দেয়ার অনুরোধ পুলিশের আজ আমেরিকান দূতাবাস ও সকল ভারতীয় ভিসা সেন্টার বন্ধ ঘোষণা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেয়ার আহ্বান জানালেন পলক সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের জরুরি সভা: কর্মসূচি ঘোষণা আগামীকাল সারা দেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী যা বললেন শাবিপ্রবির হলে তল্লাশী, আগ্নেয়াস্ত্র ও মদের বোতল উদ্ধার ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে ৪ ছাত্রলীগ নেতার পদত্যাগ সিলেটে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী সিলেটে সড়ক দু-র্ঘ’ট’না’য় ২ কিশোর নি-হ-ত কারো মা-বাবার বুক এভাবে খালি হতে পারে না: শাকিব খান শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আজীবন নিষিদ্ধ অধ্যাপক জাফর ইকবাল




সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতিসহ ৫৯ জনকে আসামি করে মামলা

Untitled 7 copy 1 - BD Sylhet News




বিডিসিলেট ডেস্ক : সুনামগঞ্জে পরিবহন চলাচলে বাধা ও ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগের চেষ্টার অভিযোগে গতকাল বুধবার রাতে সদর মডেল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরও একটি মামলা হয়েছে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুজ্জামান কামরুলসহ ৫৯ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এর মধ্যে এজাহারে নাম উল্লেখ আছে ৩৪ জনের, বাকিরা অজ্ঞাতপরিচয়। মামলার বাদী হলেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কাওসার মাহমুদ। এর আগে একই অভিযোগে গত ২৯ অক্টোবর থেকে সদর থানায় একে একে আরও ছয়টি মামলা হয়েছে। তবে এবারই প্রথম কোনো মামলায় জেলা বিএনপির সভাপতি আসামির তালিকায় আছেন।

নতুন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, এই আসামিরা গতকাল সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে বেশ কিছু যানবাহন ভাঙচুর করেছেন। এসবের ভিডিও ফুটেজ আছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই তাঁরা পালিয়ে যান। পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

মুঠোফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি কিংবা সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য জানা যায়নি। নেতা-কর্মীরা বলেন, সুনামগঞ্জে গত ১২ দিনে বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে জেলার ৬টি থানায় মামলা হয়েছে ১৩টি। বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা সব মামলার বাদী পুলিশ। এসব মামলায় আসামি প্রায় ৮০০ জন। এর মধ্যে এজাহারে নাম আছে ২৯৭ জনের, বাকিরা অজ্ঞাতপরিচয়। এসব মামলায় এখন পর্যন্ত বিএনপির ৪৪ নেতা-কর্মী ও সমর্থক গ্রেপ্তার হয়েছেন।

সুনামগঞ্জে একের পর এক মামলা ও গ্রেপ্তারে নেতা-কর্মীরা হঠাৎ করেই বেকায়দায় পড়েছেন। সুনামগঞ্জে এর আগে এত অল্প সময়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এত মামলা হয়নি কখনো। গ্রেপ্তার নেতাদের মধ্যে জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আবুল মনসুর মো. শওকত, জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মোতালেব খান, জেলা বিএনপির সহসভাপতি আনসার উদ্দিন, মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক রাকাব উদ্দিন, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাসিম চৌধুরী, শান্তিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি রওশন খান আছেন। এখন গ্রেপ্তার এড়াতে নেতা-কর্মীদের অনেকেই বাড়িছাড়া।

তবে বিএনপির নেতাদের অভিযোগ, পুলিশ সবার বাড়ি বাড়ি যাচ্ছে, পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। যাঁকে পাচ্ছে, তাঁকেই গ্রেপ্তার করছে। তাঁরা মাঠে আছেন। যেকোনো মূল্যে তাঁরা কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করবেন। কোনো বাধাই তাঁদের আটকাতে পারবে না।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা মামলার ১৩টির মধ্যে ৭টিই সদর মডেল থানায় হয়েছে। ২৯ অক্টোবর থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত এসব মামলা হয়েছে।

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. নূরুল ইসলাম গত মঙ্গলবার বলেছিলেন, ‘পুলিশ বিএনপি নেতা-কর্মীদের মাঠে নামতে দিচ্ছে না। একের পর এক গায়েবি মামলা দিয়ে গণগ্রেপ্তারে নেমেছে। তবুও আমরা কর্মসূচি পালন করছি। মামলা, গ্রেপ্তার, নির্যাতন করে আমাদের আন্দোলন থেকে সরানো যাবে না।’

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৪
Design & Developed BY Cloud Service BD