বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
সিলেটের ৩ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন হবিগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে সহকারী প্রিসাইডিং অফিসারের মৃত্যু বিয়ানীবাজারে জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা: আটক ৫, ভোট গ্রহণ স্থগিত হঠাৎ বন্যার ঝুঁকিতে সিলেটসহ যে ৬ জেলা কোম্পানীগঞ্জে ধলাই নদীতে পাথর আনতে গিয়ে যুবক নিখোঁজ ঘূর্ণিঝড় রেমালের তান্ডবে সারা দেশে ২১ জনের মৃত্যু সকল বয়সের ভোটারদের পছন্দ আনারস প্রতিকের প্রার্থী স্মরণ সিলেটে শাহজালালের দুই দিনব্যাপী ওরস শুরু ঘূর্ণিঝড় রেমালের প্রভাবে পৌনে তিন কোটি গ্রাহক বিদ্যুৎ–বিচ্ছিন্ন তাহিরপুরে কুপিয়ে মৃত ভেবে জঙ্গলে ফেল গেল যুবককে ঘূর্ণিঝড় রেমালের তাণ্ডবে ১১ জনের মৃত্যু সর্বজনীন পেনশন স্কিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভূক্তি বাতিলের দাবিতে সিকৃবিতে মানববন্ধন ভারতে শিশু হাসপাতালে আগুনে ৭ নবজাতকের মৃত্যু ভারতে মিলল বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া ১৬ কেজি স্বর্ণ গণতান্ত্রিক শ্রম আইন প্রণয়নে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলুন: রাজেকুজ্জামান রতন




দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে লাগবে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

memon 20230816192413 - BD Sylhet News




পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, লিবিয়া বা সিরিয়ার মতো আভ্যন্তরীণ সংঘাত যেই দেশে বেশি, সেই দেশে ষড়যন্ত্র সফল হয়। বাংলাদেশে আভ্যন্তরীণ সংঘাত খুব কম। ফলে এখানে ষড়যন্ত্র সফল হবে না। দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ থাকলে কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে লাগবে না। বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ‘বাংলাদেশে দুই দলের বিরোধী অবস্থানের কারণে সামরিক শাসকের উত্থান ঘটতে পারে’, এ বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাস্তব অবস্থা হচ্ছে বিএনপি বড় বড় সমাবেশ করে। শুনেছি তারা অর্থ খরচ করে লোক আনে। কিন্তু বৃহত্তর জনগণের কাছে গেলে জানতে পারবেন, তারা আওয়ামী লীগকেই পছন্দ করে। আওয়ামী লীগ শক্ত অবস্থানে রয়েছে। শক্ত অবস্থানে থাকলে বিদেশি বিভিন্ন রকমের ষড়যন্ত্র কাজে লাগবে না। আর আমরা যদি দেশবাসী ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কোনো ষড়যন্ত্রই কাজে লাগবে না। সেই সমস্ত দেশে ষড়যন্ত্র সফল হয় যেখানে আভ্যন্তরীণ সংঘাত থাকে অনেক বেশি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে আভ্যন্তরীণ সংঘাত খুব কম। আর বিএনপিও চাইবে না দেশটা ধ্বংস হয়ে যাক। দেশটা আমরা ধ্বংস করতে চাই না। যেখানে এগুলো (সামরিক শাসন) হয়েছে, সেখানে মানুষের জন্য অনেক অমঙ্গল ডেকে নিয়ে এসেছে। বিএনপি যদি গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে তাহলে নিশ্চয়ই তারা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় চেষ্টা করবে।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সামনে রেখে ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সমন্বয়ে গঠন হয় অর্থনৈতিক জোট ব্রিকস। আর এসে যোগ দিতে আগ্রহী বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশ। তবে সদস্য পদ দেওয়ার বিষয়ে আপত্তি তুলেছে ভারত ও ব্রাজিল। ফলে ব্রিকসের সদস্য পদ এখনও নিশ্চিত নয় বাংলাদেশের, এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবদুল মোমেন বলেন, বিষয়টি আমরাও শুনেছি। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ব্রিকসের উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়ে ছিলেন। এ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন শেখ হাসিনা। তখন ধারণা ছিল, তারা নতুন কিছু দেশকে এর সদস্য করবে। দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন শক্তিশালী অর্থনীতির আরও কয়েকটি দেশকে সদস্য করতে চাই। বাংলাদেশ থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কাদের সদস্য করতে চায়। তখন জানিয়ে ছিল সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের মতো দেশগুলো।

তিনি বলেন, ব্রিকসের সদস্য পদ পাওয়া এর সদস্যদের ওপর নির্ভর করে। দক্ষিণ আফ্রিকা, চীনসহ তিনটি দেশ চাচ্ছে নতুন সদস্য নিতে। আর ভারত ও ব্রাজিল বলছে সদস্য পদ দেওয়ার আগে একটি নিয়ম তৈরি হোক। এটি ব্রিকসের সদস্যদের বিতর্ক। ব্রিকস যখন সদস্য পদ দেয়, তখন দেবে।

সদস্য পদের জন্য ভারতে কোনো অনুরোধ করা হবে কিনা– জানতে চাইলে এর সরাসরি কোনো উত্তর দেননি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

ব্রিকস সম্মেলনে সাইড লাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক নিয়ে তিনি বলেন, এটি আমরা চিন্তা–ভাবনা করছি। কারণ সেপ্টেম্বরের ৯–১০ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক চেয়েছি এবং তারা দিয়েছে। দিল্লিতে দক্ষিণ আফ্রিকার থেকে ভালো দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হবে। দক্ষিণ আফ্রিকাতে আমরা আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে পরিচয়ের সুযোগ হবে।

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে প্রবেশের আরেক বছর পূর্তিতে প্রত্যাবাসনের কোনো সম্ভাবনা রয়েছে কিনা– জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটি বলা যাচ্ছে না। এর আগে দুইবার দিন তারিখ ঘোষণা করে প্রত্যাবাসন হয়নি। মিয়ানমারও তারিখ দিয়েছিল, তখনও হয়নি। এখন তো কিছু লোকজন উঠেপড়ে লেগেছে, যেন রোহিঙ্গারা না যায়। আমাদের অনেক বন্ধু দেশ মনে করে রোহিঙ্গাদের প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা দিয়ে বাংলাদেশেই রেখে দিতে। কারণ পশ্চিমা দেশে শরণার্থী যারা আশ্রয় নেয়, তারা সেখানেই বসবাস করে। প্রত্যাবাসনের কোনো উদাহরণ পশ্চিমা দেশে নেই।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসম্যানরা এসেও রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে রেখে দিতে বলেছেন। বাংলাদেশ এ প্রস্তাবে রাজি হয়নি। বরং বাংলাদেশ বলেছে যুক্তরাষ্ট্রে কিছু রোহিঙ্গা নিয়ে যেতে। যুক্তরাষ্ট্র তো ঘোষণা দিয়েও রোহিঙ্গা নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র বলেছিল অনেক রোহিঙ্গা নেবে। আর বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে রোহিঙ্গাদের নিতে বলবে। রোহিঙ্গাদের অগ্রাধিকার হচ্ছে নিজের দেশে ফেরত যাওয়া। যুক্তরাষ্ট্রের বরং তার জন্য চেষ্টা করা উচিত।

মিয়ানমার বাংলাদেশের শত্রু দেশ নয় জানিয়ে মোমেন বলেন, আমরা প্রত্যাবাসনের চেষ্টা করছি। মিয়ানমারের কিছু অসুবিধা ছিল বলে, রোহিঙ্গাদের বের করে দিয়েছে। মিয়ানমার রাজি রোহিঙ্গাদের ফেরত নিতে। তবে কখন কোন সময়ে নেবে, তা তাদের ওপর নির্ভর করবে।

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৪
Design & Developed BY Cloud Service BD