শুক্রবার, ১৪ জুন ২০২৪, ০১:৫৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
সিলেটে ২৪ ঘণ্টায় ২০৩ মিলিমিটার বর্ষণ সিলেটে আবারও বন্যার শঙ্কা, প্রস্তুত ৫৫১ আশ্রয় কেন্দ্র সিলেটে ২২ দিনে ১৫ কোটি টাকার সাদা পাথর লুট সিলেটসহ ছয় অঞ্চলে ৬০ কি.মি বেগে ঝড় হতে পারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য সাড়ে ১১ হাজার কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন সিলেটে অবিবাহিত পুরুষের হার সবচেয়ে বেশি সিলেট ওসমানী হাসপাতাল ‘কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট’ কার্যক্রমে শতভাগ সফলতা অর্জন বিয়ানীবাজারে পুলিশের অভিযানে ৮০ বস্তা চিনি সহ গ্রেফতার ২ সিলেট এসে হঠাৎ অসুস্থ সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী, হেলিকপ্টারে ঢাকায় নেওয়া হয়েছে সিলেটে এসএসসির খাতা চ্যালেঞ্জ করে ফেল থেকে পাস করলেন ৩৫ শিক্ষার্থী সিলেটে বিপুল পরিমান চোরাই মোবাইলসহ গ্রেফতার ৬ সৌদিতে হজে গিয়ে ১৫ বাংলাদেশির মৃত্যু টিলাধসে স্বপরিবারে যুবদল নেতার মৃত্যুতে সিলেট যুবদলের শোক টিকটকার প্রিন্স মামুন গ্রেফতার মসজিদে আজানরত অবস্থায় এক মুসল্লির মৃত্যু




আখালিয়ার ঘটনার আইডিয়াল স্কুলের আরেক শিক্ষক গ্রেপ্তার

6192 - BD Sylhet News




বিডিসিলেট ডেস্ক : সিলেট মহানগরের আখালিয়ার ধানুহাটারপাড়া এলাকার আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে পবিত্র কুরআন পোড়ানোর অভিযোগে এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খন্ডকালীন শিক্ষক ইসহাক আহমদকে আটক করা হয়েছে। এনিয়ে এ ঘটনায় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তিন শিক্ষককে আটক করা হলো।

র‍্যাব-৯ ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে সোমবার (৭ আগস্ট) বিকাল ৩টার দিকে টুকেরবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে একই অভিযোগে রোববার মধ্যরাদে আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল ও চেয়ারম্যান নুরুর রহমান (৫০) এবং একই কলেজের শিক্ষক মাহবুব আলম (৪৫) কে আটক করা হয়।

রোববার রাতে পবিত্র কোরআন শরীফ পুড়ানোর অভিযোগে সিলেট আখালিয়া এলাকায় রাতভর তুলকালাম ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানিয়েছে- রবিবার বিকালে ইসহাক আহমদ এক কার্টুন ও এক বস্তা ভর্তি কোরআন শরিফ দিয়ে যান নুরুর রহমানের কাছে।

কোরআন শরিফ দেওয়া ইসহাক সিলেট বেতারের ক্বারি ও আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের খন্ডকালীন শিক্ষক।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ (পিপিএম) বলেন, রবিবার রাত ১০টার দিকে নুরুর রহমান ও মাহবুব আলম বস্তার ৪৫টি কোরআন শরিফ কেরোসিন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলতে শুরু করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন দেখে ফেলায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং এ দুজনকে মারধর শুরু করেন।

তিনি বলেন, এক পর্যায়ে প্রায় ১০ হাজার মানুষ ওই এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে এবং জনতার হাত থেকে নুর ও মাহবুবকে উদ্ধার করে। এসময় উত্তেজিত জনতা পুলিশের দিকে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকেন। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয় এসময়। আহত পুলিশ সদ্যসদ্যরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও শর্টগান ব্যবহার করে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, রাতে ওই এলাকায় কোতোয়ালি থানা, জালালাবাদ থানা, সিআরটি ও গোয়েন্দা পুলিশের ৫ শতাধিক সদস্য কাজ করে। এছাড়া পুলিশের পাশাপাশি র‍্যাব-৯ এর একটি টিমও কাজ করে।

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২৪
Design & Developed BY Cloud Service BD