বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২০, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
হাসপাতালেও নথিপত্র স্বাক্ষর অব্যাহত রেখেছেন- তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণে কমনওয়েলথের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান নিরাপদ হলো না সড়ক সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে একযোগে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়নের সাথে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা জরুরি : রাষ্ট্রপতি জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী’র শুভেচ্ছা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দূর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মেয়র মো: আব্দুস শুকুর জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষ্যে বড়লেখা নিসচা’র পোস্টার বিলি বড়লেখা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি  হাজী আলাই ডিলারের ইন্তেকাল ছাতকে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে হাইওয়ে পুলিশের অলোচনা সভা সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ এর সাথে নিসচা নেতৃবৃন্দের মতবিনিময় আকবরকে পালাতে সহায়তাকারী এস.আই হাসান বরখাস্ত মসজিদ পুন:নির্মাণ করতে গিয়ে বিপাকে সায়পুর গ্রামবাসী নগরবাসীকে সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের শারদীয় শুভেচ্ছা
cloudservicebd.com

সিজারের সময় নবজাতকের পেট কেটে ফেললেন চিকিৎসক

20200920 194530 - BD Sylhet News

বিডি সিলেট নিউজ ডেস্ক::ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে সিজারিয়ান অপারেশন করতে গিয়ে নবজাতকের পেট কেটে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জেলা সদরের কাউতলি এলাকার দি আল ফালাহ মেডিকেল সেন্টার নামে একটি ক্লিনিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে ক্লিনিকের সবাই গাঢাকা দিয়েছেন।

প্রসূতির পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আখাউড়া উপজেলার বাউতলা এলাকার তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী ফারজানা আক্তার প্রসবব্যথা নিয়ে রোববার সকালে আল ফালাহ মেডিকেল সেন্টারে ভর্তি হন। জেলা শহরে আসার পর এক দালাল ফারজানার পরিবারকে ফুসলিয়ে আল ফালাহ মেডিকেল সেন্টারে নিয়ে যান। সেখানে মারুফা রহমান নামে এক চিকিৎসক ফারজানার সিজারিয়ান অপারেশন করান।

প্রসূতি ফরজানার স্বামী তৌহিদুল ইসলাম জানান, সাড়ে ১৬ হাজার টাকায় সিজারিয়ান অপারেশনের চুক্তি হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। অপারেশনের সময় নবজাতকের পেট কেটে ফেলেন চিকিৎসক। পেটের একপাশে রক্তাক্ত আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানালে নাভি কাটতে গিয়ে কাঁচির আঘাত লেগেছে বলে জানায় তারা।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তারা ওই ক্লিনিকে যান। ততক্ষণে গাঢাকা দেন ক্লিনিকের সবাই।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাফফাত আরা সাঈদ বলেন, নবজাতকের পেটে ক্ষতচিহ্ন দেখা গেছে। সেটি গুরুতর নয়। অদক্ষতার কারণে এমনটি হয়েছে।

ক্লিনিকের ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ পাওয়ায় ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ক্লিনিকটি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে বলেও জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাফফাত আরা।

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৭ - ২০২০
Design & Developed BY Cloud Service BD