রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৩:৪১ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
ই-পাসপোর্ট জটিলতায় স্পেনে ৬শত প্রবাসীর বৈধ হওয়া অনিশ্চিত! মেসির ম্যাজিকে স্বস্তির জয় পেল আর্জেন্টিনা এমবাপ্পে ঝলকে প্রথম দল হিসেবে নকআউটে ফ্রান্স মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে প্রাণ গেল দুই বন্ধুসহ নিহত ৩ মেসিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাখলেন মেক্সিকান গোলকিপার চিকিৎসকেরা সম্মেলনে, ৩৯ ঘণ্টা মর্গে পড়ে ছিল এক শিশুর লাশ বেতন নেবেন না মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী বাস থেকে ৬৩৭ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার, ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ১২ সিলেটে কিনব্রিজের পাশে আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৯ মাসে নিম্ন আদালতে ১০ লাখ ৭২ হাজার মামলা নিষ্পত্তি গণসমাবেশ সফল হওয়ায় সিলেট মহানগর বিএনপিকে মোঃ শামীম আহমদ চৌধুরীর শুভেচ্ছা কুমারগাঁও-বিমানবন্দর সড়কে চারলেন কাজের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দোলনের নামে বোমা, অত্যাচার করলে একটাকেও ছাড়ব না: শেখ হাসিনা পুরোনো স্মার্টফোন কাজে লাগানোর ৫ উপায় ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’ বুবলীর প্রতি অপুর বিশ্বাসের ইঙ্গিত




জঙ্গি ছিনতাইয়ে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিসহ কয়েকজনের নাম জানা গেছে

Untitled 1 copy 17 - BD Sylhet News




ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট প্রধান মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আদালত চত্বর থেকে দুই জঙ্গি সদস্যকে ছিনতাইয়ের ঘটনায় নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তির নাম আমরা জেনেছি। তাকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার সহযোগী বেশ কয়েকজনকেও শনাক্ত করা হয়েছে। পরিকল্পনা কীভাবে হয়েছে তাও আমরা গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আপাতত তদন্তের স্বার্থে আমরা তাদের নাম প্রকাশ করছি না।

সোমবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের বিষয়টি অনেক জটিল। নাইন ইলেভেনের ঘটনা কবে ঘটেছিল সেটা আমরা সবাই জানি (২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর)। ওই ঘটনার এক যুগ পর কিন্তু ওসামা বিন লাদেনের অপারেশনটি সংঘটিত হয়েছিল। আদালতের সামনে থেকে জঙ্গি ছিনতাই অপারেশনে কারা কারা ছিল তাদের বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিকেও শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের সবাইকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার কাজ চলছে। এজন্য গণমাধ্যম ও দেশবাসীর সহযোগিতা চাইছি।

তাদের আরও বড় কোনো পরিকল্পনা ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, তা বলা সম্ভব তাদের গ্রেপ্তার করা গেলে। তবে মনে হচ্ছে বড় পরিকল্পনা ছিল। তারা চারজনকে ছিনতাই করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু দুজনকে নিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছে। যেসব আসামিকে আদালতে হাজিরার জন্য আনা হয়েছিল তারা সবাই আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখা অর্থাৎ আস্কারি বিভাগের সদস্য ছিল। তাদের সবাইকে সিটিটিসি ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার করেছিল। তাদের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে অনেকগুলো ঘটনা ও হত্যার রহস্য উদঘাটিত হয়েছিল।

সিটিটিসি প্রধান বলেন, আমরা প্রত্যেকটি পয়েন্টকে সতর্ক করে দিয়েছি। জঙ্গিরা যাতে সীমান্ত পাড়ি দিতে না পারে, তারা যাতে কোনোভাবে বের হতে না পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তারা যাতে কোনোভাবে আমাদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ফাঁক গলে বের হয়ে যেতে না পারে।

মেজর জিয়া নেতৃত্ব দেননি, তিনি মাস্টারমাইন্ড। তবে যিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন তাকে আমরা শনাক্ত করেছি। নামটা আপাতত বলতে চাচ্ছি না।

জঙ্গি ছিনতাইয়ের মাধ্যমে জঙ্গিরা নতুন করে সংগঠিত হচ্ছে কি না কিংবা এই অপারেশনে নতুন জঙ্গি সংগঠনের কোনো যোগসাজশ

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২২
Design & Developed BY Cloud Service BD