বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
বেঁচে থাকলে আবার সব গুছিয়ে নেব: প্রধানমন্ত্রী হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতা মুফতি শরিফউল্লাহ গ্রেপ্তার মুসলিমের প্রতি জো বাইডেনের রমজানের শুভেচ্ছা শিক্ষাবিদ মজির উদ্দিন আনসারের হার্টে পেসমেকার পুনঃস্থাপন বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের পূর্ণ বিবরণ সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে – অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার পরিতোষ ঘোষ সাংবাদিকদের ‘মুভমেন্ট পাস’ লাগবে না: আইজিপি সিলেট জেলায় সেহরি ও ইফতারের সময়সূচী কঠোর লকডাউনে খোলা থাকবে ব্যাংক চাঁদ দেখা গেছে, বুধবার রোজা চাঁদ দেখা গেছে, বুধবার থেকে রোজা মুহিত চৌধুরীর শারিরীক অবস্থার অবনতি: ফের আইসিইউতে স্থানান্তর বড়লেখায় নিসচা’র যুব বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ বদরুল ইসলামের স্বেচ্ছায় রক্তদান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী আজ ২০৩০ সালে রমজান মাস হবে দুইটি
cloudservicebd.com

ভিক্ষাবৃত্তি ছাড়তে চায় প্রতিবন্ধী এবাদুল হাসান

20200902 172455 - BD Sylhet News

বিডি সিলেট নিউজ ডটকম::সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার দোয়ারা বাজার নোয়াগাও গ্রামের ইছন আলীর ছেলে মো. এবাদুল হাসান জন্ম থেকে প্রতিবন্ধি। তার দুটি পাঁ ও এক হাত অচল হয়ে পড়ায় কোনো ধরনের কার্জকর্ম করতে না পারায় সিলেট নগরীতে এসে ভিক্ষাবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়ে। পরিবারে অভাব অনটন থাকায় চিকিৎসাও করানো হয়নি।যার কারণে প্রতিবন্ধি হয়েও কষ্টের মধ্যে চলছে তার জীবন। পরিবার ও নিজের খরচ জোগান দিতে সিলেট নগরীতে ১০ বছর ধরে ভিক্ষা করে যাচ্ছে এবাদুুল।

প্রতিদিন ভিক্ষা করে যে টাকা পাচ্ছে তা দিয়ে কোনো রকমে পরিবার নিয়ে চলতে হচ্ছে এবাদুলের। ৭ জনের পরিবারে একমাত্র এবাদুলের ভিক্ষার টাকা দিয়ে সংসার চলছে। বাবা-মা অসুস্থ্য, ভাই-বোন ছোট থাকায় প্রতিবন্ধি এবাদুল সকাল
থেকে রাত পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে নগরীতে ভিক্ষা করে পরিবারের খাদ্য ঝোগান দিচ্ছে। তার মধ্যে পরিবার, বাসা ও ছোট বোনের পড়া-লেখার খরচ যোগান দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাকে।

নগরীর জিন্দাবাজারের ইদ্রিছ মার্কেটের সামনে প্রতিবন্ধি এবাদুলের সাথে আলাপ হলো, তিনি বলেন জন্ম থেকেই আমি প্রতিবন্ধি। আমার পরিবারে কেউ নেই আয় রোজকার করার। বাবা-মা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ্য। বর্তমানে আমরা একবেলা খেলে আরেক বেলা না খেয়ে থাকতে হয়। কষ্টের মধ্যে দিয়ে চলছে আমাদের সংসার। পরিবারের সবাইকে নিয়ে সিলেট নগরীর সিটি কর্পোরেশনের ২৬ নং ওয়ার্ডে খোজারখলা রেল ষ্টেশন এলাকায় ৬ হাজার টাকা বাসা ভাড়া দিয়ে থাকতে হচ্ছে।

প্রতিদিন ভিক্ষা করে যে টাকা পাচ্ছি তা দিয়ে সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছে। করোন ভাইরাসের কারণে নগরীতে মানুষের চলাচল কমে যাওয়ায় আগের মতো ভিক্ষাও পাচ্ছি না। বর্তমানে পরিবার নিয়ে মানবতর জীবন কাটচ্ছে এবাদুল। মা-বাবার চিকিৎসা ও ছোট বোনের পড়া লেখার খরচ যোগান দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। রোদ-বৃষ্টির মধ্যে ভিক্ষা করতে গিয়ে প্রায় সময় অসুস্থ হয়ে পড়ি। একদিন ভিক্ষা না করতে পারলে না খেয়ে থাকতে হয়। তাই ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিয়েপরিবার নিয়ে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ছোট খাটো ব্যবসা করতে পারলে ভাল হতো।কিন্তু ব্যবসা করতে হলে টাকা দরকার। আমার কাছে জমানো কোনো টাকা না থাকায় ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে ব্যবসা করার আগ্রহ থাকলেও করতে পারচ্ছি না। যদি কোন
হৃদয়বান আমাকে সাহায্য-সহযোগিতা করতে চান, তাহলে (০১৩১২-৭৭৯৭৫০) যোগাযোগ করে সহযোগিতা করতে পারেন। প্রধানমন্ত্রী ও সমাজের বিত্তবানরা সহযোগিতা করতেন তা হলে ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে দিতাম। বিজ্ঞপ্তি

 

 

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD