রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
ই-পাসপোর্ট জটিলতায় স্পেনে ৬শত প্রবাসীর বৈধ হওয়া অনিশ্চিত! মেসির ম্যাজিকে স্বস্তির জয় পেল আর্জেন্টিনা এমবাপ্পে ঝলকে প্রথম দল হিসেবে নকআউটে ফ্রান্স মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বেরিয়ে প্রাণ গেল দুই বন্ধুসহ নিহত ৩ মেসিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাখলেন মেক্সিকান গোলকিপার চিকিৎসকেরা সম্মেলনে, ৩৯ ঘণ্টা মর্গে পড়ে ছিল এক শিশুর লাশ বেতন নেবেন না মালয়েশিয়ার নতুন প্রধানমন্ত্রী বাস থেকে ৬৩৭ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার, ভারতীয় নাগরিকসহ আটক ১২ সিলেটে কিনব্রিজের পাশে আরেকটি সেতু নির্মাণ করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ৯ মাসে নিম্ন আদালতে ১০ লাখ ৭২ হাজার মামলা নিষ্পত্তি গণসমাবেশ সফল হওয়ায় সিলেট মহানগর বিএনপিকে মোঃ শামীম আহমদ চৌধুরীর শুভেচ্ছা কুমারগাঁও-বিমানবন্দর সড়কে চারলেন কাজের উদ্বোধন করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দোলনের নামে বোমা, অত্যাচার করলে একটাকেও ছাড়ব না: শেখ হাসিনা পুরোনো স্মার্টফোন কাজে লাগানোর ৫ উপায় ‘গাঁয়ে মানে না আপনি মোড়ল’ বুবলীর প্রতি অপুর বিশ্বাসের ইঙ্গিত




ঘরে ঘরে ‘চোখ ওঠা’ রোগ, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ

FB IMG 1664451050697 - BD Sylhet News




বিডি সিলেট ডেস্ক:: বসন্তের শুরুতে চোখ ওঠা বা ‘কনজাংকটিভাইটিস’ রোগের উপদ্রব হয়। বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশে হঠাৎ করে এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে প্রায় প্রতিটি ঘরেই একাধিক ব্যক্তি রোগটিতে আক্রান্ত হচ্ছেন। রোগটি এক প্রকার মহামারী আকার ধারণ করেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চোখের কনজাংটিভাইটিস রোগটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে হওয়ায় তা সবার মধ্যে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে ৭ থেকে ১০ দিন পর তা এমনিতেই ঠিক হয়ে যায়। তাই কারও কনজাংটিভাইটিস হলে আতঙ্কিত না হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কিন্তু স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাসহ যেখানে ওষুধের প্রয়োজন, সেখানে দেখা দিয়েছে প্রয়োজনীয় ওষুধের স্বল্পতা।

ওষুধ সংকটের কাজটি করে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। তারা দাম বাড়িয়ে সংকট ঘনীভূত করে। মানুষের জীবন-মরণ খেলা যেন তাদের কাছে কিছুই নয়। ভাইরাল কনজাংটিভাইটিসে আক্রান্ত হওয়ার পর আবার ব্যাকটেরিয়াল কনজাংটিভাইটিসে আক্রান্ত হচ্ছেন। এতে চোখে ময়লা জমা, চোখ বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ মারাত্মক প্রদাহের সৃষ্টি হয়। এ ধরনের রোগীদের সেরে উঠতে প্রায় ২১ দিন লেগে যায়।

এবারের সংক্রমণকারী ভাইরাস বেশ শক্তিশালী। তাই ওষুধের প্রয়োজন বেশি হচ্ছে। এই অবস্থায় ওষুধের সংকট সৃষ্টি যারা করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। এর পাশাপাশি আমাদের সবার সচেতন হতে হবে।

বিশেষ করে অসুস্থ ব্যক্তিকে পরিবারের অন্য সদস্যদের থেকে আলাদা থাকতে হবে। শিশুর কনজাংটিভাইটিস হলে স্কুলে না পাঠানো, কর্মজীবী হলে কর্মস্থলে যাওয়া যাবে না। এড়িয়ে চলতে হবে জনবহুল স্থান। আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে। বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলতে হবে। আক্রান্ত হলে দ্রুত নিতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ। তবেই এ ভাইরাস থেকে নিজে রক্ষা পাওয়া যাবে এবং অন্যকে রক্ষা করা যাবে। তাই সবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি।

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২২
Design & Developed BY Cloud Service BD