নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় বন্যার পরিস্থিতি অবনতি হয়েছে। ক্রমেই বাড়ছে কুশিয়ারা নদীর পানি। তলিয়ে গেছে মানুষের ঘরবাড়ি। ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে ১০৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে কুশিয়ারার পানি। আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় রেকর্ড হয়েছে ১০ মিটার ৫৪ সেন্টিমিটার।
বাড়ছে বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ। পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন উপজেলার অর্ধলাখ মানুষ। এমন অবস্থায় সরকারি ত্রাণ অপ্রতুল বলে জানালেন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যনরা।
ফেঞ্চুগঞ্জ বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনির হোসেন বলেন, ২৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ এসেছে ফেঞ্চুগঞ্জে। এর মধ্যে ২২ মেট্রিক টন চাল পাঁচটি ইউনিয়নে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নগদ ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উপজেলা প্রশাসন থেকে শুকনো খাবার ক্রয়ে বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার ১৪টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ৩২৪টি পরিবার।
চাহিদা অনুযায়ী ত্রাণসামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন উপজেলার পাঁচটি ইউপি চেয়ারম্যানরা। প্রতিটি ইউনিয়নে ৩ মেট্রিক টন করে চাল বরাদ্দ পেয়েছেন তারা, যা ১০ কেজি করে এক-দুটি ওয়ার্ডে বিতরণ করা সম্ভব হচ্ছে। ফলে ত্রাণগ্রহীতাদের রোষাণলে পড়তে হচ্ছে তাদের। এমন পরিস্থিতিতে ত্রাণের জন্য হাহাকার করছেন বানভাসি মানুষরা। তবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং বিভিন্ন সংগঠন থেকে রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে।
