মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৩:০০ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
ম্যারাডোনার মৃতদেহ চুরির আশঙ্কা, ২০০ সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েন নতুন তথ্য সচিব খাজা মিয়া যোগদান করেছেন ম্যারাডোনার মৃত্যুতে ‘ভাত খাচ্ছেন না’ নাটোরের বাবু সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের নবনিযুক্ত প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারের দায়িত্ব গ্রহন আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়লো এক মাস মহান বিজয়ের মাস শুরু আজ বড়লেখায় যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল বিকাশ প্রতারকের সঙ্গে প্রেম করে টাকা উদ্ধার করলেন কলেজছাত্রী কেনিয়ায়‘মৃত’ব্যক্তির চিৎকারে ভয়ে পালালেন মর্গের কর্মীরা! সিলেটে বৃহস্পতিবার ৮ ঘন্টা থাকবে না গ্যাস সিলেটে জেলা যুবলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ মুজিব বর্ষে বড়লেখার দৌলতপুর মাদ্রাসায় মাস্ক কোরআন ও ফলজ গাছ বিতরণ নিসচা জুড়ী উপজেলা শাখার কমিটির অনুমোদন,বড়লেখা উপজেলা শাখার শুভেচ্ছা ফেনীতে নিজ হাতে সন্তানের মাথা ফাটিয়ে কোলে নিয়ে ভিক্ষা! ছাতকে উত্যেক্তকারিদের হামলায় নারী আহত: থানায় অভিযোগ
cloudservicebd.com

উভয় সংকট “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বেতন নিয়ে কিছু কথা”

20200503 034740 - BD Sylhet News

তাওহীদুল ইসলামঃ অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের বেতনের জন্য ম্যাসেজ,ফোন,নোটিশ দেয়া হচ্ছে। বিশেষ করে প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো থেকে। এ বিষয়টিকে ভালো চোখে দেখছেন না অভিভাবক মহল। কারণ,করোনার মহামারি। মানুষ ঘরবন্দি। বন্দি আয়ের পথ। এটা অবশ্যই যুক্তিসংগত।

কিন্তু কিছু কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অাছে, যেগুলো সত্যিকার অর্থে লাভজনক নয়, তারাও মাসে তুলে মাসে নেয়,এমন অবস্থা। এসব প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষক রয়েছেন যাদেরও পথচলার একমাত্র মাধ্যম তাদের সামান্য সম্মানি- অার সুযোগ থাকলে প্রাইভেট পড়ানির সম্মানি। করোনার কারণে তাদেরও এই দুটি পথ বন্ধ। তাদেরও অনেক এ সময়ে অসহায়। শার্ট- প্যান্ট অার ইন করে চলাফেরার কারণে তারা কারো কাছে না পারছে হাত পাততে আর না পারছে সইতে।

আমাদেরকে তাদেরও কথা চিন্তা করতে হবে। যদিও আমরা অনেকেই মনে করি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মানেই আয়ের সুবর্ণ সুযোগ। কিন্তু যারা প্রতিষ্ঠান করেছে অার পরিচালনা করতেছে তারাই জানে কত ধানে কত চাল। কথায় অাছে না, হাতি খায় যেমন,লাদেও তেমন।

তবে, কিছু প্রতিষ্ঠান অাছে যারা অত্যন্ত ব্যবসা নির্ভর,তারা শিক্ষা প্রতিষ্টান দিয়ে অনেক অর্থ বিত্তের মালিক হচ্ছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে অাবার দরিদ্র পরিবারের সন্তান খুব কমই লেখাপড়া করে থাকেন,যদি আমি ভুল না বলে থাকি। আমরা তো দেখি,যত প্রাইভেট প্রতিষ্ঠান নামডাকি ,সে সব প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখার খরছ অনেক বেশি আর সেখানে তারাই পড়ে যাদের বেশিরভাগের রয়েছে প্রাইভেট গাড়ী, না হয় রিজার্ভ গাড়ী। প্রতিষ্ঠান ছুটির সাথে সাথে ক্যাম্পাসের সামনে লাইন ধরে সারিবদ্ধ গাড়ীয়ে। সে সব প্রতিষ্ঠানের কোন অভিভাবক অামার মনে হয় না মধ্যবিত্ত পরিবারের। তাহলে তাদের বেতন দিতে সমস্যা হওয়ারও কথা না।

আবার,এসব প্রতিষ্ঠান যেভাবে আয় করে সে মোতাবেক করোনাকালীন এমন সময়ে বেতন মওকুফ করে দৃষ্টান্তও স্থাপন করতে পারতো। তাই, আসুন, আমরা সবাই সবার কথা চিন্তা করি,আরো মানবিক হই। কারো বেতন দেয়া না দেয়ার অাগে চিন্তা করি, সেই মানুষটি কি আমার এ বেতনের উপর নির্ভরশীল? বেতন নেয়ার আগেও চিন্তা করি, অামি কি না নিলে চলতে পারবো না, যদি পারি তবে এমন সময় উদার হওয়াই মহত্তের লক্ষণ।

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৭ - ২০২০
Design & Developed BY Cloud Service BD