মঙ্গলবার, ২৮ জুন ২০২২, ০২:২৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
স্বামী পুরুষাঙ্গ কেটে দিল স্ত্রী, ঘাতক স্ত্রী আটক কোহলির আরও একটি রেকর্ড ভাঙ্গলেন বাবর যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন কার্ড পেলেন শাকিব খান বন্যাদুর্গত এলাকায় কাটা রাস্তায় সেতু বা কালভার্ট নির্মাণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হজ পালনের জন্য সৌদি পৌঁছেছেন ৪২ হাজার হজযাত্রী মহাসড়কে শতাধিক পরিবারের বসবাস, রাত কাটছে ভয়-আতঙ্কে সিলেটে সরকারি উদ্যোগে আড়াই কোটি টাকার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ সিলেটে বন্যাকবলিত এলাকায় শিক্ষা নিয়ে আশঙ্কা সিলেটে ভয়াবহ বন্যার বড় কারণ হাওর দখল: গবেষণা সুনামগঞ্জে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫০০ কোটি টাকার সড়ক-সেতু যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে ট্রাকের মধ্যে ৪৬ জনের মরদেহ উদ্ধার ত্রাণের কোন সংকট নেই, প্রচুর ত্রাণসামগ্রী স্থানীয় প্রশাসনের হাতে রয়েছে: হানিফ সিলেটে পানি কমছে ধীর গতিতে বানভাসীদের চরম দুর্ভোগ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান প্রদান করলো এনআরবি ব্যাংক ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কন্যাকে কটূক্তি, যুবক গ্রেফতার




কচুর লতি বিক্রি করতে বাজারে বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাপক, সবমহলে প্রশংসায় ভাসেন তিনি

Screenshot 20220515 184026 Facebook - BD Sylhet News




 

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের বাবুলের বাজারে লতি বিক্রি করতে গিয়েছিলেন অধ্যাপক ড. আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স। কৃষিকে ভালোবেসে সাধারণ বিক্রেতাদের সারিতে বসে বিক্রি করায় আশ্চর্য হয়েছেন সবাই। তাৎক্ষণিক তার ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েলে ভাইরাল হয়। সবমহলে প্রশংসায় ভাসেন তিনি। শুক্রবার (১৩ মে) ওই বাজারে নিজের চাষ করা ১৬ কেজি লতি নিয়ে গিয়েছিলেন প্রিন্স। সবগুলো বিক্রিও করেছেন।

অধ্যাপক ড. আবু বকর সিদ্দিক প্রিন্স জানান, তার দাদার বাড়ি বরিশালের ঝালকাঠির রাজাপুরে। প্রিন্সের বাবা ছিলেন একজন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবারসহ ঢাকায় আর্মি কলোনিতে থাকতেন প্রিন্স। ২০০২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর শেষ করেন। এরপর বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এআইইউবি থেকে কৃষি ব্যবসায় এমবিএ ডিগ্রি নেন ২০০৮ সালে। এরপর ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমফিল ও ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেন। বর্তমানে তিনি বরিশাল ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক ও মার্কেটিং বিভাগের প্রধান।

তিনি বলেন, আমি পরিবার নিয়ে ঢাকায় বসবাস করছিলাম। কিন্তু কৃষির প্রতি ছোটবেলা থেকেই প্রচন্ড ভালোবাসা ছিল। আমরা ঢাকায় আর্মি কলোনিতে থাকাকালীন সময়ে মা শখ করে কিছু লাউগাছ লাগাতেন, হাঁস পালতেন। এগুলো আমার অনেক ভালো লাগত। এসব দৃশ্য এখনো চোখে ভাসে। ফলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে শশুরবাড়ি

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙামাটিয়া ইউনিয়নের হাতিলেইট গ্রামে বাণিজ্যিকভাবে কৃষি করতে চলে আসি। ২০১৪ সালে এখানে ৮ একর জমিতে গড়ে তুলেছি কৃষি খামার। বেসরকারি ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বছরের ছয়মাস ছুটি নিয়ে খামারে কৃষিকাজ করি।

বাজারে নিজেই কচুর লতি বিক্রি করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, নিজের উৎপাদিত পণ্য নিজে বিক্রি করার মাঝে লজ্জার কিছু নেই। এজন্য স্থানীয় বাজারে ১৬ কেজি কচুর লতি নিয়ে গিয়েছিলাম। বাজারে বসে প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। তবে আমাকে এমন অবস্থায় দেখে অনেকে অবাক হয়েছেন। এটা ঠিক না। কারণ, আমরা সবাই মানুষ সেটাই বড় কথা।

প্রিন্স বলেন, কে কোন পর্যায়ে আছি সেটা বড় বিষয় না। এছাড়া নিজের উৎপাদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করার মধ্যে লজ্জার কিছু নেই। কৃষিপ্রধান দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে আবাদি জমি কমে যাচ্ছে। বিষযুক্ত বিভিন্ন খাদ্যে সয়লাব বাজার। এজন্য বেকার শিক্ষিত যুবকসহ অন্যরা উদ্যোক্তা হিসেবে যেকোনো কৃষিকাজে সম্পৃক্ত হতে পারলে নিজের পাশাপাশি দেশেরও লাভ হবে।

বিডি সিলেট ডেস্ক/সূত্র -সময়ের কন্ঠস্বর/

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২২
Design & Developed BY Cloud Service BD