শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২০, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
ছাতকে দূর্গোৎসব শুরু, পূজা মন্ডপ পরিদর্শন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিলেটের সাংবাদিকদেরকে ধন্যবাদ জানালেন ছাতকে নৌ-পথের ছিনতাইকারী ইদন মিয়া গ্রেফতার অসহায় মানুষের আশ্রয়স্থল সিলেটের এম এ শাকুর সিদ্দিকী বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচা’র বর্ণাঢ্য র‍্যালি সিলেটের পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন ১৯ কর্মকর্তা বদলি লাইসেন্সের প্রদানে অনিয়ম দূর করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতি নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কিবরিয়া হত্যা মামলা : সিলেটের আদালতে বাবরসহ ১১ জন হাজি জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে নিসচা সিলেট মহানগরের বর্ণাঢ্য র‌্যালী হাসপাতালেও নথিপত্র স্বাক্ষর অব্যাহত রেখেছেন- তথ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণে কমনওয়েলথের প্রতি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান নিরাপদ হলো না সড়ক সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সবাইকে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে একযোগে কাজ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী সড়ক অবকাঠামোর উন্নয়নের সাথে নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা জরুরি : রাষ্ট্রপতি জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস আজ
cloudservicebd.com

লেবানন বিস্ফোরণ: ভাগনিদের আর চকলেট দেবে না মেহেদী

20200807 012432 - BD Sylhet News

বিডি সিলেট নিউজ ডটকম:: লেবাননের বৈরুত বন্দরে মঙ্গলবার শক্তিশালী বিস্ফোরণে নিহত তিন বাংলাদেশির মধ্যে একজন মেহেদী হাসান। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের ভাদেশ্বরা গ্রামের তাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার বড় ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে মেহেদী ছিলেন সবার বড়।

ছোট বোন জিয়াসমিন আক্তার হ্যাপির (২২) চার বছর আগে সদর উপজেলার জাঙ্গাল গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মাহবুব আলমের সঙ্গে বিয়ে হয়। ছোট ভাই সামিরুল ইসলাম (১৩) স্থানীয় গাউছুল আজম আবুল উলুইয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র এবং আরেক ছোট ভাই সাইমন ইসলাম (৫) স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে নার্সারিতে পড়ে।

সংসারের হাল ধরতে সুদে নেওয়া ঋণের টাকায় লেবাননে পাড়ি জমান মেহেদী হাসান। তাঁর গ্রামের বাড়িজুড়ে এখন শুধুই মাতম। ছেলের শোকে তিনদিন ধরে পানি ছাড়া কিছুই খাচ্ছেন না মা ইনারা বেগম। প্রায়ই তিনি মুর্ছা যাচ্ছেন ও অচেতন হয়ে পড়ছেন। তাঁকে চিকিৎসক দেখাতে হাসপাতালে নেওয়া দরকার। কিন্তু অভাবগ্রস্ত পরিবারের সেই টাকাও নেই।

মেহেদীর চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম, সারওয়ার হোসেন ও প্রতিবেশী সাজিম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে জানান, কোনোভাবেই তাঁরা মেহেদীর মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না। শান্ত, নম্র, ভদ্র ও বিনয়ী স্বভাবের ছিলেন মেহেদী। গ্রামে কোনো দিন কারও সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়নি। বিশ্বাসই হচ্ছে না তিনি আর নেই।

নিহত মেহেদীর ছোট বোন জিয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার দুই বছরের মেয়ে মাহিয়া আক্তার ও দুই মাসের মেয়ে মিম আক্তারের নাম রেখেছিল মেহেদী ভাই। কাজে যাওয়ার আগে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভাই আমাকে ফোন করত। আজ দুদিন পার হলো ভাইয়ের কোনো ফোন আসেনি।’ কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমার দুই মেয়ের জন্য পাঁচ কেজি চকলেট, পুতুল, শ্যাম্পু, সাবান—কত কিছু কিনে রেখেছিল ভাই। কিন্তু দুই মেয়ে ও আমার স্বামীকে না দেখেই চলে গেল সে।’

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৭ - ২০২০
Design & Developed BY Cloud Service BD