শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
শেখ হাসিনার মনোনিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে হবে: এডভোকেট লুৎফুর রহমান নিখোঁজের ৮ দিন পর বাসায় ফিরলেন ত্ব-হা সিলেটে স্ত্রী হত্যার দায়ে কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথম ফাঁসি কার্যকর বড়লেখা আমার প্রিয় একটি শাখা, ইলিয়াস কাঞ্চন নৌকার বিজয় নিশ্চিত করতে নেতা-কর্মীরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে কাজ করতে হবে: এড.নাসির উদ্দিন খান হবিগঞ্জের গায়ে হলুদের দিন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে বরের মৃত্যু সিলেট নগরীর চৌহাট্টা থেকে যুবক নিখোঁজ ছাতকে শহিদ মিনার থেকে পাঁচ জুয়ারি আটক উন্নয়নের স্বার্থে দলের টানে সবাই আজ এক মোহনায় – হাবিব গোয়াইনঘাটে একই পরিবারের ৩ জনের গলাকাটা লাশ উদ্ধার,১জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক মুজিব আদর্শে বিশ্বাসীরা ৩টি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী সিলেটে দরগাহ একদিকে চলছে নামাজ, অন্যদিকে চলছে সিনেমার শুটিং সিলেটবাসীর আপনজন মেয়র কামরান, আপনি আছেন স্মৃতিতে অম্লান জকিগঞ্জে দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান! কামরানের ১ম মৃত্যুবার্ষিকীতে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত
cloudservicebd.com

লেবানন বিস্ফোরণ: ভাগনিদের আর চকলেট দেবে না মেহেদী

20200807 012432 - BD Sylhet News

বিডি সিলেট নিউজ ডটকম:: লেবাননের বৈরুত বন্দরে মঙ্গলবার শক্তিশালী বিস্ফোরণে নিহত তিন বাংলাদেশির মধ্যে একজন মেহেদী হাসান। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের ভাদেশ্বরা গ্রামের তাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার বড় ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে মেহেদী ছিলেন সবার বড়।

ছোট বোন জিয়াসমিন আক্তার হ্যাপির (২২) চার বছর আগে সদর উপজেলার জাঙ্গাল গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মাহবুব আলমের সঙ্গে বিয়ে হয়। ছোট ভাই সামিরুল ইসলাম (১৩) স্থানীয় গাউছুল আজম আবুল উলুইয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র এবং আরেক ছোট ভাই সাইমন ইসলাম (৫) স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে নার্সারিতে পড়ে।

সংসারের হাল ধরতে সুদে নেওয়া ঋণের টাকায় লেবাননে পাড়ি জমান মেহেদী হাসান। তাঁর গ্রামের বাড়িজুড়ে এখন শুধুই মাতম। ছেলের শোকে তিনদিন ধরে পানি ছাড়া কিছুই খাচ্ছেন না মা ইনারা বেগম। প্রায়ই তিনি মুর্ছা যাচ্ছেন ও অচেতন হয়ে পড়ছেন। তাঁকে চিকিৎসক দেখাতে হাসপাতালে নেওয়া দরকার। কিন্তু অভাবগ্রস্ত পরিবারের সেই টাকাও নেই।

মেহেদীর চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম, সারওয়ার হোসেন ও প্রতিবেশী সাজিম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে জানান, কোনোভাবেই তাঁরা মেহেদীর মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না। শান্ত, নম্র, ভদ্র ও বিনয়ী স্বভাবের ছিলেন মেহেদী। গ্রামে কোনো দিন কারও সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়নি। বিশ্বাসই হচ্ছে না তিনি আর নেই।

নিহত মেহেদীর ছোট বোন জিয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার দুই বছরের মেয়ে মাহিয়া আক্তার ও দুই মাসের মেয়ে মিম আক্তারের নাম রেখেছিল মেহেদী ভাই। কাজে যাওয়ার আগে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভাই আমাকে ফোন করত। আজ দুদিন পার হলো ভাইয়ের কোনো ফোন আসেনি।’ কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমার দুই মেয়ের জন্য পাঁচ কেজি চকলেট, পুতুল, শ্যাম্পু, সাবান—কত কিছু কিনে রেখেছিল ভাই। কিন্তু দুই মেয়ে ও আমার স্বামীকে না দেখেই চলে গেল সে।’

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD