সোমবার, ০৮ মার্চ ২০২১, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
কুলাউড়ায় প্রেমিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রেমিক জেলে শাহরুখকে টপকে গেলেন এরতুগ্রুল দিল্লি গিয়ে মা-বাবার কবর জিয়ারত করলেন শাহরুখ নারীদের জন্য ‘পদ্মাবতী’ চালু করল পদ্মা ব্যাংক ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে ডাকটিকিট প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড়লেখায় বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে ৭ই মার্চ দিবস উদযাপন ৭ মার্চের প্রতিটি বাক্য বাঙালির অনুপ্রেরণার উৎস – সরওয়ার হোসেন সব নির্দেশনা সাতই মার্চের ভাষণেই ছিল: প্রধানমন্ত্রী কাউন্সিলর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও উপশহরে খেলার মাঠে মেলা বন্ধে মানববন্ধন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ ও জাতিসংঘে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তিতে আনন্দ উদযাপন করল সিলেট জেলা পুলিশ ছাতকে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ৭ই মার্চ পালিত সিলেটে ইনজেকশন দিয়ে স্ত্রী হত্যা,স্বামী আটক গোলাপগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় ৭ই মার্চ পালিত অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের প্রতি সাবেক ছাত্রদের সম্মাননা প্রদান খেলার মাঠে মেলা: প্রতিবাদ করায় কাউন্সিলর সেলিমের বিরুদ্ধে মামলা
cloudservicebd.com

লেবানন বিস্ফোরণ: ভাগনিদের আর চকলেট দেবে না মেহেদী

20200807 012432 - BD Sylhet News

বিডি সিলেট নিউজ ডটকম:: লেবাননের বৈরুত বন্দরে মঙ্গলবার শক্তিশালী বিস্ফোরণে নিহত তিন বাংলাদেশির মধ্যে একজন মেহেদী হাসান। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের ভাদেশ্বরা গ্রামের তাজুল ইসলাম ভূঁইয়ার বড় ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে মেহেদী ছিলেন সবার বড়।

ছোট বোন জিয়াসমিন আক্তার হ্যাপির (২২) চার বছর আগে সদর উপজেলার জাঙ্গাল গ্রামের দুবাইপ্রবাসী মাহবুব আলমের সঙ্গে বিয়ে হয়। ছোট ভাই সামিরুল ইসলাম (১৩) স্থানীয় গাউছুল আজম আবুল উলুইয়া সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র এবং আরেক ছোট ভাই সাইমন ইসলাম (৫) স্থানীয় একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে নার্সারিতে পড়ে।

সংসারের হাল ধরতে সুদে নেওয়া ঋণের টাকায় লেবাননে পাড়ি জমান মেহেদী হাসান। তাঁর গ্রামের বাড়িজুড়ে এখন শুধুই মাতম। ছেলের শোকে তিনদিন ধরে পানি ছাড়া কিছুই খাচ্ছেন না মা ইনারা বেগম। প্রায়ই তিনি মুর্ছা যাচ্ছেন ও অচেতন হয়ে পড়ছেন। তাঁকে চিকিৎসক দেখাতে হাসপাতালে নেওয়া দরকার। কিন্তু অভাবগ্রস্ত পরিবারের সেই টাকাও নেই।

মেহেদীর চাচাতো ভাই সাইফুল ইসলাম, সারওয়ার হোসেন ও প্রতিবেশী সাজিম ভূঁইয়া প্রথম আলোকে জানান, কোনোভাবেই তাঁরা মেহেদীর মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না। শান্ত, নম্র, ভদ্র ও বিনয়ী স্বভাবের ছিলেন মেহেদী। গ্রামে কোনো দিন কারও সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়নি। বিশ্বাসই হচ্ছে না তিনি আর নেই।

নিহত মেহেদীর ছোট বোন জিয়াসমিন আক্তার বলেন, ‘আমার দুই বছরের মেয়ে মাহিয়া আক্তার ও দুই মাসের মেয়ে মিম আক্তারের নাম রেখেছিল মেহেদী ভাই। কাজে যাওয়ার আগে প্রতিদিন বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টার মধ্যে ভাই আমাকে ফোন করত। আজ দুদিন পার হলো ভাইয়ের কোনো ফোন আসেনি।’ কান্নায় ভেঙে পড়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমার দুই মেয়ের জন্য পাঁচ কেজি চকলেট, পুতুল, শ্যাম্পু, সাবান—কত কিছু কিনে রেখেছিল ভাই। কিন্তু দুই মেয়ে ও আমার স্বামীকে না দেখেই চলে গেল সে।’

শেয়ার করুন...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  


বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০১৭ - ২০২০
Design & Developed BY Cloud Service BD