সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৬:০৪ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
হবিগঞ্জে ট্রাক-ধান কাটার মেশিনের সংঘর্ষে যুবক নিহত আসছে বর্ষা, সিলেটে ঝুঁকি নিয়ে টিলায় বসবাস শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সিলেট জেলা আ.লীগের কর্মসূচী ঘোষণা জগন্নাথপুরে ৩ দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা জাপানি দুই শিশু: বাবার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন সিলেটে একদিনে সড়ক দূর্ঘটনায় ৪ জন নিহত আইসিইউতে ভর্তি বিএনপি নেতা মঈন খান পুকুরে টাকা ডুবলেই ‘স্বপ্ন পূরণ পানির নিচে খাদেমের কারসাজি’ সিলেট নগরীতে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু সিলেটে কুড়িয়ে পাওয়া শিশু উর্মির অভিভাবকের সন্ধান চায় পুলিশ বিশ্বকাপ ট্রফি ৫১ দেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু ‘এখানে কিছু টাকা আছে, এটা দিয়ে আমার দাফন-কাফন করিও’ সিলেটে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, দুর্ভোগে মানুষ সিলেটে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক বড়লেখায় বর্হিবিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফাউন্ডেশন নেতৃবৃন্দদের সংবর্ধনা প্রদান




সালামি দেওয়ার কেউ নেই, নেওয়ারও কেউ নেই: অপি করিম

Screenshot 20220503 200108 Facebook - BD Sylhet News




বিনোদন ডেস্ক:: ঈদের অন্যতম অনুসঙ্গ হচ্ছে ‘সালামি’। বড়রা ছোটদের এই সালামি দেন, যা ঈদের আনন্দ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ছোটবেলায় ঈদে সালামি পাননি এমন মানুষ কমই পাওয়া যাবে। জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপি করিমও সালামি পেয়েছেন। তবে বড় হয়ে যাওয়ার পর সেই সালামি দেওয়া মানুষের সংখ্যা কমে গেছে। এমনকি তিনি সালামি দেবেন তেমন মানুষও পাননা।

অপি করিম বলেন, ছোট ছিলাম বলে সালামি পেতাম দশ টাকা। টাকার অঙ্ক কম দেখে মনে হতো কবে বড় হবো। কোন দিন ১০০ টাকা আমাকে দেবে! এখন তো দেওয়ার কেউ নেই, কাউকে যে সালামি দেব তাদেরও খুঁজে পাই না। সবাই এখন ব্যস্ত। কেউ কেউ থাকেন দেশের বাইরে। ভাইবোনের হৃদ্যতা খুব মিস করি। তাইতো ছোটবেলার সুখস্মৃতি এখন দুঃখ দেয়।

এ বছর বাবা ছাড়া ঈদ! গত বছর বাবা মারা গেছেন অপি করিমের। ঈদে বাবাকে খুবই মনে পড়ছে তার। অপি বলেন, ”এবছর ঈদ আমার জন্য একটু কষ্টের। কারণ, গত বছর বাবা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বাবার মুখের ‘মারে ঈদ মোবারক’- এই ডাকটি আর শুনতে পাব না।”

ঈদে বাড়ি ফেরার স্মৃতিও রয়েছে অপি করিমের। তিনি বলেন ‘ঈদের আনন্দ বহুগুণে বেড়ে যায় যখন আমরা বাড়ি ফিরি। অধীর অপেক্ষায় বসে থাকা প্রিয়জনের মুখগুলো দেখি। আগে প্রতি বছরই যে কোনো একটি ঈদ কুমিল্লায় করতাম। সেখানে নানি বাড়ি। সব ভাইবোন আসায় মিলনমেলা হতো। পুরান ঢাকায় খালাতো মামাতো ভাইবোন মিলে একটি ঈদ উদযাপন করতাম। আমাদের টার্গেট থাকত সবার সালামির টাকা জমিয়ে তিন দিনের দিন চায়নিজ খাব। তখন ঢাকা শহরে হাতেগোনা কয়েকটি চায়নিজ রেস্টুরেন্ট ছিল। ‘

 

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২২
Design & Developed BY Cloud Service BD