সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৫:২৬ অপরাহ্ন

শিরোনাম ::
আসছে বর্ষা, সিলেটে ঝুঁকি নিয়ে টিলায় বসবাস শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে সিলেট জেলা আ.লীগের কর্মসূচী ঘোষণা জগন্নাথপুরে ৩ দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ, চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা জাপানি দুই শিশু: বাবার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন সিলেটে একদিনে সড়ক দূর্ঘটনায় ৪ জন নিহত আইসিইউতে ভর্তি বিএনপি নেতা মঈন খান পুকুরে টাকা ডুবলেই ‘স্বপ্ন পূরণ পানির নিচে খাদেমের কারসাজি’ সিলেট নগরীতে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু সিলেটে কুড়িয়ে পাওয়া শিশু উর্মির অভিভাবকের সন্ধান চায় পুলিশ বিশ্বকাপ ট্রফি ৫১ দেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু ‘এখানে কিছু টাকা আছে, এটা দিয়ে আমার দাফন-কাফন করিও’ সিলেটে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, দুর্ভোগে মানুষ সিলেটে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক বড়লেখায় বর্হিবিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফাউন্ডেশন নেতৃবৃন্দদের সংবর্ধনা প্রদান হবিগঞ্জে ভারতীয় চাপাতাসহ চোরাকারবারি আটক




মাত্র এক ডলারের জন্য ডাকাতি করে জেলে! কারণ জানলে অবাক হবেন

FB IMG 1647783133536 - BD Sylhet News




বিডি সিলেট ডেস্ক:: কখনও শুনেছেন, মাত্র এক ডলার-এর জন্য কেউ ডাকাতি করছেন? শুধু তাই নয়, সেই ব্যক্তি ডাকাতির পর সেই ব্যাঙ্কে বসে পুলিশ আসার অপেক্ষা করেছেন। সত্যিই এমন ঘটনা ঘটেছিল।

এই ব্যক্তির নাম জেমস ভেরন। তাঁর বাড়ি উত্তর ক্যারোলিনার গ্যাস্টোনিয়াতে। তিনি টানা ১৭ বছর একটি বেসরকারি কোল্ডড্রিঙ্কস সংস্থার ডেলিভারি বয় হিসেবে কাজ করার পর নিজের কাজ হারান। পাশাপাশি হারান নিজের হেলথ ইনসিওরেন্সও।

দিন দিন জেমস-এর শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার কারণে তিনি নিজের হেলথ ইনসিওরেন্স নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন। কারণ তাঁর কাছে ইনসিওরেন্স নবীকরণের টাকা ছিল না। এ দিকে তাঁর বাতের ব্যথা এবং স্লিপ ডিস্ক উত্তরোত্তর বাড়ছিল। সমস্যা দেখা গিয়েছিল তাঁর পায়েও। বুকেও ব্যথা শুরু হয়েছিল জেমসের।

এর পরই জীবনের চরমতম সিদ্ধান্ত নেন জেমস। ঠিক করেন ব্যাঙ্ক ডাকাতি করবেন।

যেমন ভাবা তেমন কাজ! ২০১১ সালের ৯ জুন নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে একটি গাড়িতে চেপে নিকটবর্তী একটি ব্যাঙ্কে যান ৫৯ বছর বয়সি জেমস। তবে ডাকাতি করতে কিন্তু কোনও আগ্নেয়াস্ত্র সঙ্গে নেননি তিনি।

ব্যাঙ্কে প্রবেশ করতেই তিনি একটি চিরকুট ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের হাতে ধরিয়ে দেন। তাতে লেখা ছিল, ‘আমি ব্যাঙ্ক ডাকাতি করতে এসেছি। আমাকে শুধু এক ডলার দিন।’

এর পরে তিনি ওই এক ডলার নিয়ে চুপচাপ ব্যাঙ্কের এক কোনে গিয়ে বসেন। ব্যাঙ্কের এক কর্মীকে তিনি বলেন, ‘‘আমি এই কোণে চুপচাপ বসে থাকব এবং পুলিশ আসা অবধি অপেক্ষা করব।’’

ডাকাতি করতে আসার আগে তিনি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে একটি চিঠিও দিয়ে আসেন। তাতে তিনি লেখেন, ‘আপনারা যখন এই চিঠি পাবেন, ততক্ষণে আমার ব্যাঙ্ক ডাকাতি হয়ে যাবে। তবে আমি মাত্র এক ডলারের জন্য এই ডাকাতি করতে যাচ্ছি। আমার মানসিক স্থিতি একদম ঠিক আছে। কিন্তু আমার শারীরিক অবস্থা ঠিক নেই।’

এর পরে তাঁকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। তবে জেমসকে আদালতে হাজির করানো হলে, বিচারক তাঁর কর্মকাণ্ডকে ডাকাতি বলে মানতে রাজি হননি। অন্য ব্যক্তির কাছে থেকে এক ডলার চুরির অপরাধে তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

তবে সবার মনেই একটাই প্রশ্ন ছিল। কেন শুধুমাত্র এক ডলারের জন্য ডাকাতি করতে গিয়েছিলেন শারীরিক ভাবে অসুস্থ এই ব্যক্তি? সেই সময়ে সদ্য অর্থনৈতিক মন্দার মুখ থেকে উঠে আসা আমেরিকায় এক ডলারে তাঁর কোনও চিকিত্সা হত না। তা হলে কেন গিয়েছিলেন তিনি? পুলিশের হাতেই বা কেন নিজে থেকে ধরা দিয়েছিলেন?

তিনি নিজেই এর উত্তর দিয়েছিলেন স্থানীয় এক সাংবাদিককে। তিনি জানান, তাঁর প্রধান লক্ষ্য ডাকাতি ছিল না। কেবলমাত্র জেল খাটার জন্যই তিনি এই কাণ্ডটি ঘটান।

আমেরিকার আইন অনুযায়ী কোনও কয়েদি যদি অসুস্থ হন, তা হলে তাঁর সমস্ত চিকিত্সার খরচ জেল কর্তৃপক্ষের। তাই নিজের চিকিত্সার খরচ জোগাতে তিনি নিজেই জেল খাটার সিদ্ধান্ত নেন।

নিজের উদ্দেশে সফলও হন জেমস। জেলে ঢোকার পরে তাঁর জন্য চিকিৎসার যাবতীয় খরচ-সহ নার্স এবং ডাক্তারের ব্যবস্থা করেন জেল কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২২
Design & Developed BY Cloud Service BD