সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন

শিরোনাম ::
আইসিইউতে ভর্তি বিএনপি নেতা মঈন খান পুকুরে টাকা ডুবলেই ‘স্বপ্ন পূরণ পানির নিচে খাদেমের কারসাজি’ সিলেট নগরীতে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু সিলেটে কুড়িয়ে পাওয়া শিশু উর্মির অভিভাবকের সন্ধান চায় পুলিশ বিশ্বকাপ ট্রফি ৫১ দেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু ‘এখানে কিছু টাকা আছে, এটা দিয়ে আমার দাফন-কাফন করিও’ সিলেটে পাহাড়ি ঢলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, দুর্ভোগে মানুষ সিলেটে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক বড়লেখায় বর্হিবিশ্ব জাতীয়তাবাদী ফাউন্ডেশন নেতৃবৃন্দদের সংবর্ধনা প্রদান হবিগঞ্জে ভারতীয় চাপাতাসহ চোরাকারবারি আটক সোমবার টিসিবির পণ্য বিক্রি স্থগিত জকিগঞ্জে নদীভাঙ্গন পরিদর্শনে বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদ কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে নিরাপত্তা জোরদারে বিজিবি মোতায়েন নায়িকার জন্যই ভাঙল সোহেল-সীমার ২৪ বছরের সংসার! গোলাপগঞ্জে ৬ প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা




সিলেট নগরীর আখালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষধর সাপের ভয়ংকর আস্তানা!

Screenshot 20220320 180527 AndroVid - BD Sylhet News
সিলেট নগরীর আখালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় যেন বিষধর সাপের ভয়ংকর এক আস্তানা




আশীষ দে : সিলেট মহানগরীতে অবস্থিত আখালিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিষধর সাপের উপদ্রব দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিদ্যালয়ের পরিত্যক্ত একটি ভবনে অন্তত শ’খানেক বিষধর সাপের স্থায়ী বসবাস রয়েছে বলে ধারণা করছেন স্কুল কর্তৃপক্ষ। সাপের উপদ্রবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন রয়েছেন শিক্ষক ও অভিভাবক মহল। প্রায় সাড়ে এগারো’শ বিশাল সংখ্যাক ছাত্র-ছাত্রীর এ বিদ্যালয়ে সাপের উপদ্রব থামাতে তড়িত গতিতে ব্যবস্থা গ্রহন করার দাবি জানিয়েছেন তারা। সাপের আনাগোনা কমাতে পুরাতন ভবনটি ভেঙে দেওয়ার বিকল্প দেখছেন না বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহানারা বেগম।

তিনি জানান বেশ কয়েকবছর ধরেই সাপের উপদ্রবে ছাত্র ছাত্রী ও নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন রয়েছেন শিক্ষকগণ। প্রায়শই বিষধর সাপেরা শ্রেণীকক্ষে ভেতরে পর্যন্ত চলে আসে ফলে যেকোনো সময় দূর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পরিত্রাণ পেতে কয়েকবার সাপুড়ে ডেকে এনেও সফলতা আসেনি। দুই একটি বড় সাপকে ধরা সম্ভব হলেও বেশীরভাগ সাপ পুরাতন ভবনের ট্যাংকির নিচে আশ্রয় নেওয়ায় সেগুলো ধরা সম্ভব হয়নি।

প্রধান শিক্ষক জাহানারা বেগম জানান বিদ্যালয় ভবনের চারপাশে উনারা নিয়মিত ব্লিসিং পাউডার ছিটিয়ে দেন কিন্তু তাতেও তেমন একটা কাজ হয়নি। বোতলে ভরে কার্বোলিক এসিড বিভিন্ন শ্রেনীকক্ষে রেখে দিলেও ফল পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অমিতা ঘোষ বলেন, সাপের ভয়ে সবসময় তঠস্থ থাকি। নিজেদের জন্য নয় স্কুলের বাচ্চাদের জন্য। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এদিক ওদিক ছোটাছুটি করে, বলা তো যায় না কখন কি ঘটে যায়। তাছাড়া শিশু শ্রেণির বাচ্চারা মেঝেতে বসে পাঠগ্রহণ করায় তারাও ঝুঁকিতে রয়েছে কেননা সাপ অনেকসময় মেঝের কার্পেটের নীচে লুকিয়ে থাকে। সীমা দেব নামে একজন অভিভাবক জানান সাপের ভয়ে শিশুকে স্কুলে নিয়মিত নিয়ে আসাটাই ভয়ংকর বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনটি ভেঙে ফেলতে একবার সরকারি নিলাম হয় তবে নুন্যতম দর না উঠায় সেটা বাতিল হয়ে যায়।

এ বিষয়ে পরিবশ কর্মী আব্দুল করিম কিম বলেন “সাপগুলোকে না মেরে Rescue(উদ্ধার) করে পূনর্বাসন করতে হবে, দেখছি কি করা যায়”।

মন্তব্য জানতে সিলেট সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দিলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে কথা হয় সহকারী শিক্ষক কর্মকর্তা (ATO)ফারুকুল ইসলামের সাথে, তিনি জানান পরিত্যক্ত ভবনটি অপসারণ করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন...











বিডি সিলেট নিউজ মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২২
Design & Developed BY Cloud Service BD