বিডি সিলেট ডটকম : সিলেটের বিয়ানীবাজারে রাসেল আহমদ (৩০) নামে একজন পেশাদার ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১১ মার্চ) বিয়ানীবাজার পৌর শহরের দক্ষিণবাজার এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে ছিনতাই করা একটি স্মার্টফোন ও ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি ধারালো ছুরি জব্দ করেছে পুলিশ।
আটককৃত ছিনতাইকারী রাসেল আহমদ বিয়ানীবাজার পৌরসভার নিদনপুর গ্রামের মৃত উস্তার আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে সিলেট ও মৌলভীবাজারের বিভিন্ন উপজেলায় পাঁচটি চুরি, ছিনতাই ও অপহরণ মামলা রয়েছে।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ মার্চ বিকাল ৩টায় বিয়ানীবাজার পৌরশহরের দাসগ্রাম এলাকায় আব্দুল বারী নামে এক দোকান কর্মচারী ছিনতাইয়ের শিকার হন। এসময় ছিনতাইকারী রাসেল আহমদ ধারালো ছুরি ঠেকিয়ে আব্দুল বারীর কাছে থাকা ভিভো কোম্পানির একটি নতুন স্মার্টফোন ও নগদ ১০ হাজার টাকা ছিনতাই করে। পরদিন ১১ মার্চ ওই ছিনতাইকারীকে পৌরশহরের দক্ষিণ বাজারে ঘুরাঘুরি করতে দেখে আব্দুল বারী স্থানীয়দের সহযোগিতায় রাসেলকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এসময় পুলিশ রাসেলের কাছ থেকে ধারালো ছুরি ও ছিনতাই করা স্মার্টফোন সীম কার্ডসহ জব্দ করে। এরপর ওইদিন সন্ধ্যায় আব্দুল বারী বাদী হয়ে রাসেলের বিরুদ্ধে বিয়ানীবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
বিয়ানীবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মেহেদী হাসান জানিয়েছেন, আটককৃত রাসেও সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের সদস্য। তার বিরুদ্ধে চুরি-ছিনতাই ও অপহরণসহ নানা অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। শনিবার বিকালে রাসেলের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে থানায় মামলা দায়ের করে তাকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ধৃত রাসেলের বিরুদ্ধে সিলেটের বিয়ানীবাজার থানায় ২০১৭ ও ২০১৮ সালের দুইটি চুরি ও ছিনতাই মামলা, জকিগঞ্জ থানায় একটি ছিনতাই মামলা এবং মৌলভীবাজারের বড়লেখা থানায় একটি মোটরসাইকেল চুরির মামলা রয়েছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আটকের পর পুলিশী জিজ্ঞাসাবাদে সম্প্রতি বিয়ানীবাজারের পিএইচজি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল ফাহাদকে অপহরণ এবং হত্যার চেষ্টার কাজে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করে রাসেল।
